ওকে’ না ‘হোয়াইট পাওয়ার’? রেফারির হাতের ইশারায় বিশ্বকাপে নতুন বিতর্ক

ওকে’ না ‘হোয়াইট পাওয়ার’? ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অস্ট্রেলীয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি Shaun Evans। Germany বনাম Curaçao ম্যাচে তাঁর একটি হাতের ইশারা নিয়ে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি…

June 16, 2026
1 min read

ওকে’ না ‘হোয়াইট পাওয়ার’?

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অস্ট্রেলীয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি Shaun Evans। Germany বনাম Curaçao ম্যাচে তাঁর একটি হাতের ইশারা নিয়ে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই তাঁকে ভবিষ্যৎ ম্যাচের দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছে বর্ণবিদ্বেষবিরোধী সংগঠনগুলো।

কী ঘটেছিল?

জার্মানির ৭-১ গোলের জয়ের ম্যাচে সম্প্রচারকারী সংস্থা যখন VAR কর্মকর্তাদের পরিচয় করাচ্ছিল, তখন শন ইভান্সকে একটি বিশেষ হাতের ইশারা করতে দেখা যায়।

ইশারাটিতে—

  • বুড়ো আঙুল ও তর্জনী দিয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করা হয়।
  • বাকি তিনটি আঙুল প্রসারিত থাকে।

সাধারণভাবে এই চিহ্নটি “OK” বা “সব ঠিক আছে” বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে কিছু উগ্র শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী গোষ্ঠী একই চিহ্নকে “White Power” বা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের প্রতীক হিসেবেও ব্যবহার করেছে।

কেন বিতর্ক?

২০১৯ সালে Christchurch mosque shootings-এর অভিযুক্ত Brenton Tarrant আদালতে উপস্থিত হওয়ার সময় একই ধরনের ইশারা করেছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকেই চিহ্নটি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে বিতর্ক শুরু হয়।

ফলে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে একজন ম্যাচ কর্মকর্তার কাছ থেকে একই ইশারা দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।

ফিফার অবস্থান

FIFA জানিয়েছে যে তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং ঘটনাটি পর্যালোচনা করছে। তবে এখনই ইভান্সকে দায়িত্ব থেকে সরানো হবে কি না, সে বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃত?

এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়—

  • ইভান্স ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ইশারা করেছিলেন কি না,
  • নাকি তিনি শুধুই সাধারণ “ওকে” সংকেত দিতে চেয়েছিলেন।

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এই চিহ্নের অর্থ প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি নিরীহ “OK” সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মঞ্চে এমন বিতর্কিত প্রতীকের ব্যবহার নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।

কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

বিশ্ব ফুটবলে বর্ণবিদ্বেষ রুখতে ফিফা গত কয়েক বছরে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। খেলোয়াড়, সমর্থক বা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বর্ণবাদী আচরণ দেখা গেলে শাস্তির বিধানও রয়েছে। তাই কোনও ম্যাচ কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এখন নজর ফিফার তদন্তের দিকে। তারা ঘটনাটিকে নিছক ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে দেখবে, নাকি আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সেটাই দেখার।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *