এমবাপে-ওলিসের ঝড়ে উড়ল সুইডেন!
France যেন নকআউট পর্বে সম্পূর্ণ অন্য এক দল। গতি, নিখুঁত পাসিং, পরিকল্পিত আক্রমণ আর দুর্দান্ত সমন্বয়ে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল দিদিয়ের দেশঁর শিষ্যরা। এই পারফরম্যান্সের পর ফ্রান্সকে শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার বলতেই হচ্ছে।
Sweden খারাপ খেলেনি। তারা আক্রমণ করেছে, লড়াই করেছে, নিজেদের ফুটবল খেলতে চেয়েছে। কিন্তু ফ্রান্সের ছন্দ, গতি ও কৌশলের সামনে তাদের সব প্রচেষ্টাই ম্লান হয়ে যায়।
ম্যাচের অন্যতম নায়ক ছিলেন Michael Olise। গোল না পেলেও গোটা ম্যাচে তিনিই ছিলেন ফরাসি আক্রমণের মূল চালিকাশক্তি। একের পর এক নিখুঁত পাসে সতীর্থদের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন, নিজেও পোস্টে শট মেরেছেন এবং সুইডিশ রক্ষণকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রেখেছেন।
অন্যদিকে, নিজের কাজটা নিখুঁতভাবেই করেছেন Kylian Mbappé। জোড়া গোল করে ম্যাচের ফল নিশ্চিত করেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়াল ছয়ে, আর বিশ্বকাপে মোট গোল হলো ১৮। নকআউট পর্বে এটি তাঁর দশম গোল, যা নতুন নজির।
প্রথমার্ধে শুরু থেকেই ফ্রান্স আক্রমণের পর আক্রমণ শানায়। ২০ মিনিটে এমবাপের একটি গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। এরপর এমবাপে ও ওলিসে— দু’জনেরই শট পোস্টে লাগে। Ousmane Dembélé-ও একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন। অবশেষে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ছোট কর্নার থেকে দেম্বেলের পাস পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। ৫৩ মিনিটে ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে ব্যবধান বাড়ান Bradley Barcola। ৭৪ মিনিটে আবারও ওলিসের ডিফেন্সচেরা পাস কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে।
ফ্রান্সের ফুটবলে এ দিন চোখে পড়েছে অসাধারণ দলগত সমন্বয়। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ— তিন বিভাগেই ছিল ভারসাম্য। ছোট-বড় পাস, দ্রুত জায়গা বদল এবং বল ছাড়া দৌড়ে প্রতিপক্ষকে বারবার বিভ্রান্ত করেছেন ফরাসি ফুটবলারেরা।
সুইডেন লড়াই করলেও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণ এতটাই ছিল যে শেষ দিকে এমবাপেকে বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ পান কোচ Didier Deschamps।
কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হবে Paraguay, যারা আগের রাউন্ডে Germany-কে বিদায় করেছে। বর্তমান ফর্ম বিচার করলে ফ্রান্সই এগিয়ে থাকবে, তবে নকআউট ফুটবলে কোনও প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?