এক বিশ্বকাপে তিন বার ভারত-পাকিস্তান!!
এক দিনের বিশ্বকাপে আবারও একাধিক বার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সম্ভাবনা। আগামী বিশ্বকাপে তিন বার পর্যন্ত মুখোমুখি হতে পারে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। দু’দল একই গ্রুপে থাকায় প্রথম ম্যাচটি নিশ্চিত। এর পর সুপার সেভেন পর্বেও দেখা হতে পারে। আর দু’দল যদি সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের রাস্তা ধরে এগোয়, তখনও তৈরি হতে পারে আরও একটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।
আইসিসির সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে ১০ অক্টোবর। জোহানেসবার্গে হবে সেই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচ। কিন্তু দুই দলের লড়াই সেখানেই শেষ নয়।
গ্রুপ পর্বের পরে শুরু হবে সুপার সেভেন পর্ব। দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চতুর্থ দল—এই সাত দলকে নিয়ে হবে পরের পর্ব। সেখানে গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট সঙ্গে থাকবে না। সাতটি দলই রাউন্ড রবিন লিগে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে।
ফলে ভারত এবং পাকিস্তান দু’দলই যদি সুপার সেভেনে জায়গা করে নেয়, তা হলে দ্বিতীয় বার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। সেই ম্যাচের তারিখ এবং ভেন্যু নির্ভর করবে গ্রুপ পর্বের পর দুই দলের অবস্থানের উপর।
এর পর সুপার সেভেনের সেরা চার দল যাবে সেমিফাইনালে। সেখানেও তৈরি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ। দুই দল যদি প্রথম চার দলের মধ্যে থাকে এবং সেমিফাইনালের সূচি তাদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ তৈরি করে, তা হলে আরও একটি ম্যাচ হতে পারে।
তবে তিন বার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার জন্য দু’দলকেই প্রতিযোগিতার শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে। একই বিশ্বকাপে তিন বার দেখা হওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ অবশ্য ফাইনালে। ভারত ও পাকিস্তান যদি ফাইনালে ওঠে, তা হলে গ্রুপ এবং সুপার সেভেনের পর তৃতীয় বার মুখোমুখি হবে তারা।
অর্থাৎ হিসাবটা সহজ—গ্রুপ পর্বে এক বার, দু’দল সুপার সেভেনে উঠলে দ্বিতীয় বার এবং ফাইনালে পৌঁছোতে পারলে তৃতীয় বার। সেমিফাইনালেও দেখা হতে পারে, তবে তার জন্য নির্দিষ্ট ফল এবং অবস্থানের সমীকরণ তৈরি হতে হবে।
গত এক দিনের বিশ্বকাপে ভারত রানার্স হয়েছিল। পাকিস্তান শেষ করেছিল পঞ্চম স্থানে। এক দিনের বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এখনও অপরাজিত ভারত। আগামী বিশ্বকাপে সেই পরিসংখ্যান বদলায় কি না, নাকি আরও এক বার ভারত-পাক ম্যাচই আলোচনার কেন্দ্রে থাকে, নজর থাকবে সেদিকেই।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।