উচ্চপ্রাথমিকে চাকরি বিক্রির সূত্র কী? সিবিআইকে নথি জমার নির্দেশ হাই কোর্টের

উচ্চপ্রাথমিকে চাকরি বিক্রির সূত্র কী? উচ্চপ্রাথমিকে কর্মশিক্ষা এবং শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে নয়া মোড়। এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট— কোন তথ্য বা নথির ভিত্তিতে সিবিআই বলেছে এই…

June 25, 2025
1 min read

উচ্চপ্রাথমিকে চাকরি বিক্রির সূত্র কী?

উচ্চপ্রাথমিকে কর্মশিক্ষা এবং শারীরশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে নয়া মোড়। এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট— কোন তথ্য বা নথির ভিত্তিতে সিবিআই বলেছে এই পদগুলো টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছিল? আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, বিষয়টি খতিয়ে দেখে নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

মঙ্গলবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর একক বেঞ্চ জানায়, প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে সিবিআই উল্লেখ করেছে, উচ্চপ্রাথমিকে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার চাকরি বিক্রি হয়েছে। অথচ ওই নিয়োগ নিয়ে আদালতের তরফে এখনও সিবিআইকে আলাদা করে তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাহলে কীভাবে এই মন্তব্য উঠে এল চার্জশিটে?

আদালতের পর্যবেক্ষণ কী বলছে?

বিচারপতির মন্তব্য, “যেহেতু উচ্চপ্রাথমিকে সিবিআই তদন্তে অনুমতি দেওয়া হয়নি, তা হলে তারা কোন নথি বা তথ্য থেকে এই দাবি করছে, তা আদালত জানতে চায়। সিবিআই নিশ্চয়ই এমন কিছু তথ্যের উপর ভিত্তি করে চার্জশিট দিয়েছে।” সেই তথ্য আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসএসসিকেও দেওয়া হল নির্দেশ

শুধু সিবিআই নয়, স্কুল সার্ভিস কমিশনকেও (SSC) বলা হয়েছে যে, তাদের কাছে থাকা মেধাতালিকা (Merit List) আদালতে জমা দিতে হবে। কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর, ওএমআর শিট, কিংবা নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত যাবতীয় নথি আদালত দেখতে চায়।

মোট শূন্যপদ কত?

  • কর্মশিক্ষা: ঘোষিত শূন্যপদ – ১২৩৭টি
  • শারীরশিক্ষা: ঘোষিত শূন্যপদ – ১০১৯টি
  • এ ছাড়াও অতিরিক্তভাবে কর্মশিক্ষায় – ৭৫০টি এবং শারীরশিক্ষায় – ৮৫০টি শূন্যপদের বিষয়ও রয়েছে আলোচনায়।

প্রেক্ষাপট কী?

মূলত, প্রাথমিক স্তরের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই তদন্ত চালাচ্ছে। সেই মামলার চার্জশিটেই উঠে এসেছে উচ্চপ্রাথমিকে চাকরি বেচাকেনার প্রসঙ্গ। অভিযোগ উঠেছে, কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার নিয়োগেও বিপুল দুর্নীতি হয়েছে। সিবিআই দাবি করেছে, এই দুটি বিভাগেও টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে।

এরপর কী?

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী,

  • সিবিআইকে জানাতে হবে চাকরি বিক্রির সূত্র কী, কোন নথিতে তার উল্লেখ রয়েছে।
  • এসএসসিকে জমা দিতে হবে নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ও মেধাতালিকা।
  • এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১ জুলাই।

এই মামলার পরিণতি রাজ্যের নিয়োগ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং ভবিষ্যতের শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে। আপনি চাইলে আরও জানতে পারেন চাকরি দুর্নীতির মামলা, ওএমআর শিট সংক্রান্ত তথ্য, বা উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত।

“জসপ্রীত, আমাদের তোমাকে দরকার!”— স্ত্রীকে বোঝাতে বললেন গাওস্কর-পুজারা, বুমরার জবাবে মজার টুইস্ট

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *