মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা!
একটি সামাজিক বিভেদজীবি বিতর্ক উদ্বোধন করেছিল— ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পূর্বে বিদেশ থেকে এসে বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখা অমুসলিমদের বিরুদ্ধে কেস নেবে না অসম সরকার। বিশেষ করে কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের অনেকের নামে বহাল_foreigners tribunal মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সর্বাধিক সতর্কভাবে জানিয়েছিলেন: “সিএএ’-তে যা কিছু রয়েছে, তার বাইরে কোনও বিশেষ নির্দেশিকা বা সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকার নেয়নি। যদি মন্ত্রিসভার কোন সিদ্ধান্ত হয়, আমি সর্বপ্রথম সাংবাদিকদের জানাব।” এই বক্তব্যে তিনি স্পষ্টভাবে বললেন, মামলা প্রত্যাহারের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।The Week
গত মাসে একটি উচ্চ পর্যায়ের শাসন ও রাজনৈতিক মন্ত্রকের বৈঠকে উঠে এসেছিল— “হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান” সম্প্রদায়ের অপরাধ নির্ভারক (foreigner cases) স্ক্র্যাপে দেওয়া হোক— এমন কিছু প্রস্তাবও ছিল। তবে, অতিরিক্ত সরকারি সূত্রের মতে, “এগুলি নির্দেশনা নয়” এবং এমন কোনও আদেশ সরকার কোন আদালতে প্রদান করেনি।The Indian Express
ফরেনার্স ট্রাইবুনালের আইনগত রূপরেখা
আইন অনুসারে, অসমে কারও শর্তসাপেক্ষে বিদেশি হিসেবে ধরা হলে, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত Foreigner Tribunal-ই দিতে পারে। এরপরও আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াই এখনও সঠিকভাবে চলছে, এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনও পক্ষপাতমূলক সিস্টেম চালু হয়নি।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
তবে, বাস্তবতার দখলে রয়েছে— ২০২৫ সালের লোকসভা ভোটের আগে এটি রাজনৈতিকভাবে মহড়া ফেলেছে। All Assam Students’ Union (AASU) মত বিরোধী গোষ্ঠীগুলি প্রতিবাদও করেছিল, অভিযোগ করে— ধর্ম ভিত্তিক ছাড়ের চেষ্টা হচ্ছে যা অসমের সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।The Economic Times
কীভাবে এগোচ্ছে?
- সরকার কাজ করছে সিএএ অনুযায়ী, যেখানে ২০১৪ সালের আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্দিষ্ট ছয় সম্প্রদায়ের কয়েকজনকে নাগরিকত্ব প্রদানের অধিকার দেওয়া হয়। এটা আইনের আওতায় বর্তমান অবস্থান, এবং তার বাইরে কোনও ব্যবস্থা অনুমোদন হয়নি।The Week
- মূল গঠনব্যবস্থা— Foreigners Tribunal— চালু রয়েছে, এবং তার বাইরে কোনো নির্দেশনা জারি হয়নি।The Indian Express
এই পুরো বিতর্কটাই— ধর্ম নির্ভরাচার দেখিয়ে একটি সামাজিক বিভাজনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তথ্য ছিল না, আর এখন সরকার সেগুলোর স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। কোন পথে সত্য এগোচ্ছে— তা আগামী সময়ই আরও পরিষ্কার করবে।
মায়ের কঠোর আদেশ থেকে শুরু করে ছোট ছোট টাস্ক, কন্যা পলককে বড় করতে যা করেছেন শ্বেতা তিওয়ারি