শুভমনের দ্বিশতরানে মুগ্ধ রোহিত, জয়ের কৃতিত্ব দিলেন সতীর্থকে!
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ৪০৬ রান তাড়া করে ভারতের জয়ের অন্যতম বড় নায়ক শুভমন গিল। অপরাজিত ২২৩ রানের দুরন্ত ইনিংসে এক দিনের ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় দ্বিশতরান করলেন ভারতীয় ওপেনার। তাঁর সঙ্গে ২৫৫ রানের ওপেনিং জুটিতে রোহিত শর্মার ১০১ রানও ভারতের জয়কে সহজ করে দেয়। ম্যাচের পর তাই দুই ওপেনারের মুখেই শোনা গেল একে অপরের প্রশংসা।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রকাশ করা ভিডিয়োয় ম্যাচের পর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে দেখা যায় রোহিত ও শুভমনকে। এক দিনের ক্রিকেটে শুভমনের দ্বিতীয় দ্বিশতরান, আর রোহিতের রয়েছে তিনটি। তাই শুরুতেই রোহিত আঙুল তুলে দেখান ‘৩’, আর শুভমন দেখান ‘২’। হাসিমুখে সেই মুহূর্ত উপভোগ করেন দু’জনেই।
শুভমনের ইনিংসে মুগ্ধ রোহিত। তাঁর মতে, ২০০ রান করা এমনিতেই বড় ব্যাপার, তার উপর রান তাড়া করতে নেমে সেই ইনিংস আরও কঠিন। ভারত অধিনায়ক বলেন, “২০০ রান তো রোজ হয় না। তাই এটা ওর কাছে বিশেষ মুহূর্ত। ওর জন্য আমি খুব খুশি। প্রথম বল থেকে শেষ পর্যন্ত শুভমন যে ভাবে খেলেছে, বোঝা গিয়েছে কতটা নিয়ন্ত্রণ ছিল।”
শুধু ব্যাটিং নয়, শুভমনের ফিটনেসেরও প্রশংসা করেছেন রোহিত। ৫০ ওভার ফিল্ডিং করার পর দীর্ঘ সময় ব্যাট করা সহজ নয় বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের ফলই পেয়েছেন শুভমন। এই ইনিংস তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেও মনে করেন ভারত অধিনায়ক।
তবে শুভমন জয়ের কৃতিত্ব একা নিতে রাজি নন। তাঁর মতে, অন্য প্রান্তে রোহিতের মতো ব্যাটার থাকায় কাজ অনেক সহজ হয়েছিল। শুভমন বলেন, “রোহিত ভাই থাকলে অন্য ওপেনারের কাজ সহজ হয়ে যায়। পাওয়ার প্লে-র পর রোহিত ভাই বিধ্বংসী শট খেলা শুরু করেছিল। তাতে আমার কাজটা সহজ হয়েছিল। আমি ঠিক করেছিলাম, আগে জুটি গড়ব। তার পর যদি দেখি লক্ষ্য পূরণ সম্ভব, তখন হাত খুলে খেলব।”
রোহিতও নিজের শতরানকে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলের জয়ের সঙ্গে মিলিয়েই দেখতে চেয়েছেন। তাঁর কথায়, সিরিজ়ের শুরুতেই প্রধান লক্ষ্য ছিল জয়, আর ভারত সেটাই করেছে। প্রচণ্ড গরমে শরীর থেকে জল বেরিয়ে গেলেও দলের জন্য লড়াই করাটাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
রোহিত বলেন, “শতরানের থেকেও যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল দলের জন্য লড়াই করা। দলকে জেতাতে সাহায্য করা। এই ইনিংস আমাকেও অনেক আত্মবিশ্বাস জোগাবে।”
শতরানের পর রোহিতের উচ্ছ্বাসও নজর কেড়েছিল। সাধারণত খুব বেশি উদ্যাপন করতে দেখা যায় না তাঁকে। কেন এমন উল্লাস, তার নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে চাননি রোহিত। তিনি বলেন, উল্লাস খুব ব্যক্তিগত বিষয়, তাই সব কিছুর ব্যাখ্যা হয় না।
রোহিতের সেই উচ্ছ্বাস অবশ্য বেশ উপভোগ করেছেন শুভমন। তাঁর কথায়, রোহিত সাধারণত শতরানের পর হেলমেট খুলে খুব বেশি উল্লাস করেন না। তাই তাঁকে এ ভাবে আনন্দ করতে দেখে শুভমনেরও খুব ভাল লেগেছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।