১৫ বছরেই ডিআরএসের ‘গুরু’ বৈভব! জোড়া সফল রিভিউয়ে দলীপ ফাইনালে নজর কাড়ল কিশোর অধিনায়ক

১৫ বছরেই ডিআরএসের ‘গুরু’ বৈভব! ব্যাট হাতে আগ্রাসনের জন্য তো বটেই, ক্রিকেটীয় বুদ্ধির জন্যও যে বৈভব সূর্যবংশী নজর কাড়ছেন, দলীপ ট্রফির ফাইনালে তার আরও একটি প্রমাণ মিলল। মাত্র ১৫ বছর…

September 8, 2026
1 min read

১৫ বছরেই ডিআরএসের ‘গুরু’ বৈভব!

ব্যাট হাতে আগ্রাসনের জন্য তো বটেই, ক্রিকেটীয় বুদ্ধির জন্যও যে বৈভব সূর্যবংশী নজর কাড়ছেন, দলীপ ট্রফির ফাইনালে তার আরও একটি প্রমাণ মিলল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে ম্যাচে কিছু সময়ের জন্য পূর্বাঞ্চলের নেতৃত্ব সামলেছেন বৈভব। আর সেই সময়েই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রিভিউ নিয়ে নিজের ক্রিকেটীয় বিচক্ষণতার পরিচয় দিলেন তিনি।

দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংসের শুরুতেই মুকেশ কুমারের বলে রিকি ভুঁইয়ের বিরুদ্ধে জোরালো আবেদনের ওঠে। উইকেটরক্ষক কুমার কুশাগ্র এবং স্লিপে থাকা বৈভব—দু’জনেই বল ব্যাটে লেগেছে বলে মনে করেছিলেন। তবে দলের অন্যরা ততটা নিশ্চিত ছিলেন না। স্টাম্প মাইক্রোফোনে শোনা যায়, অধিনায়ক ঈশান কিশনকে বার বার রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বৈভব।

শেষ পর্যন্ত ঈশান রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল সত্যিই ব্যাটে লেগেছিল। ফলে আউট হন রিকি ভুঁই। বৈভবের অনুমান যে কতটা নিখুঁত ছিল, সেই মুহূর্তেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

এর পর দ্বিতীয় সেশনে মাঠ ছাড়েন ঈশান। তখন সহ-অধিনায়ক বৈভবের কাঁধেই চলে আসে নেতৃত্বের দায়িত্ব। সেই সময় মহম্মদ শামির একটি ডেলিভারি স্মরণ রবিচন্দ্রনের ব্যাটের কাছ দিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। শামি নিজেও পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলেন না। কিন্তু বৈভবের বিশ্বাস ছিল বল ব্যাটে লেগেছে। রিভিউ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। আবারও সফল হয় রিভিউ।

শুধু ফাইনালেই নয়, সেমিফাইনালেও নেতৃত্বের সময় বৈভবের রিভিউ নেওয়ার দক্ষতা নজরে এসেছিল। মধ্যাঞ্চলের আরিয়ান জুয়ালের বিরুদ্ধে একটি সফল রিভিউ নিয়েছিল সে। অর্থাৎ, ব্যাটে বলের সামান্য স্পর্শ কিংবা এলবিডব্লিউয়ের মতো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এত কম বয়সেই তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বেশ পরিণত বলেই মনে হচ্ছে।

দলীপ ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১৫ বছর বয়সে নেতৃত্ব দেওয়া মোটেই সহজ নয়। কিন্তু মাঠে বৈভবকে দেখে তেমন কোনও অস্বস্তি চোখে পড়েনি। বোলারদের সঙ্গে আলোচনা করে ফিল্ডিং সাজানো, পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং পরিবর্তনের ভাবনা—সবেতেই আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে তাকে।

এমনকি মহম্মদ শামির মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সঙ্গেও নিয়মিত আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে বৈভবকে। অর্থাৎ, শুধু নিজের খেলা নয়, দলের প্রত্যেকটি সিদ্ধান্তে কী ভাবে প্রভাব ফেলতে হয়, সেই দিকটিও দ্রুত শিখছে এই কিশোর।

বৈভবের বয়স মাত্র ১৫। কিন্তু দলীপের মঞ্চে তাঁর ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও ইতিমধ্যে আলোচনায়। দু’টি সফল রিভিউ এবং দায়িত্ব পাওয়ার পর আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্ব বুঝিয়ে দিল, ভবিষ্যতের নেতা হিসাবেও নিজেকে তৈরি করছেন এই তরুণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *