বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে ব্যাখ্যা অশ্বিনের!
ভারতের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন প্রাক্তন অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য কখনওই বৈভবকে ছোট করা ছিল না। বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিবেশে থেকে শেখার গুরুত্ব বোঝাতেই তিনি সেই মন্তব্য করেছিলেন।
আয়ারল্যান্ড সফরের আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেছিলেন, “বৈভব মাঠে থাকুক। দরকার হলে সতীর্থদের জন্য জলও বয়ে নিয়ে যাক। তবুও সে অনেক কিছু শিখবে। কিন্তু ওকে দলের বাইরে রাখা উচিত নয়।” এই মন্তব্য তখন খুব একটা আলোচনায় না এলেও, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বৈভবের টানা দুটি অর্ধশতরানের পর সেটি নতুন করে ভাইরাল হয়ে যায়।
সমাজমাধ্যমে অনেকেই অশ্বিনের মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তাঁদের দাবি ছিল, এমন মন্তব্য একজন কিশোর ক্রিকেটারের আত্মবিশ্বাসে আঘাত করতে পারে এবং একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়।
বিতর্ক বাড়তেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন অশ্বিন। তিনি বলেন, “আমি বৈভবকে অপমান করতে চাইনি। আমার বক্তব্যের অর্থ ছিল, আন্তর্জাতিক দলে থাকাটাই একজন তরুণ ক্রিকেটারের জন্য বিরাট শিক্ষার সুযোগ। মাঠে উপস্থিত থেকে, ড্রেসিংরুমে সময় কাটিয়ে এবং সিনিয়রদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।”
ভারতের প্রাক্তন স্পিনারের মতে, তরুণ ক্রিকেটারের সামনে দীর্ঘ কেরিয়ার পড়ে থাকে। তাই প্রথম থেকেই সব ম্যাচে সুযোগ পাওয়ার চেয়ে দলের সঙ্গে থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, “আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম, ওর শেখার অনেক কিছু বাকি। বাইরে বসেও অনেক কিছু শেখা যায়। ওকে আলাদা করে রাখার বদলে দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রাখা উচিত। তাতেই ভবিষ্যতে আরও পরিণত ক্রিকেটার হয়ে উঠবে।”
অশ্বিনের এই ব্যাখ্যার পর বিতর্ক কিছুটা থামলেও, বৈভব সূর্যবংশীকে ঘিরে প্রত্যাশা যে ক্রমশ বাড়ছে, তা স্পষ্ট। জিম্বাবোয়ে সফরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তরুণ ব্যাটার ইতিমধ্যেই নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। এখন দেখার, আগামী দিনে ভারতীয় দলের হয়ে সেই ধারাবাহিকতা তিনি কতটা ধরে রাখতে পারেন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?