একসঙ্গে প্রায় ২ লক্ষ ভিসা বাতিলের পথে ট্রাম্প প্রশাসন, কোন ভিসায় কোপ? কেন উদ্বেগে ভারতীয়রা?

একসঙ্গে প্রায় ২ লক্ষ ভিসা বাতিলের পথে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকায় আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের জন্য বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ লক্ষ…

August 25, 2026
1 min read

একসঙ্গে প্রায় ২ লক্ষ ভিসা বাতিলের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

আমেরিকায় আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের জন্য বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ লক্ষ বিদেশির বি-১ এবং বি-২ ভিসা বাতিলের প্রস্তুতি চলছে। এই উদ্যোগ কার্যকর হলে মার্কিন ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা হতে পারে।

কোন ভিসা বাতিল হতে পারে?
স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দেওয়া বি-১ (ব্যবসায়িক সফর) এবং বি-২ (পর্যটন, পরিবারের সঙ্গে দেখা বা চিকিৎসার জন্য) ভিসাগুলি এই পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে। তবে মূলত যাঁরা এই ভিসায় আমেরিকায় গিয়ে পরে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বা বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থী, তাঁদের উপরেই নজর রয়েছে।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন বিদেশিদের ভিসা চিহ্নিত ও বাতিল করার প্রক্রিয়া চলছে, যাঁরা পর্যটক হিসাবে আমেরিকায় গিয়ে পরে স্থায়ী ভাবে থাকার জন্য আশ্রয় চেয়েছেন।

তবে প্রায় ২ লক্ষ ভিসা বাতিলের সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত নয়। মার্কিন প্রশাসনের তরফেও বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই চলার সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে প্রতিবেদনগুলিতে দাবি করা হয়েছে।

ভারতীয়দের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতীয়দের একটা বড় অংশ ব্যবসা, পর্যটন, আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা কিংবা চিকিৎসার জন্য বি-১/বি-২ ভিসা ব্যবহার করেন। ফলে নিয়ম আরও কঠোর হলে ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়া, পুরনো ভিসা বজায় রাখা এবং আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইয়ের মুখে পড়তে পারেন ভারতীয় আবেদনকারীরাও।

বিশেষ করে কেউ বি-১ বা বি-২ ভিসায় আমেরিকায় গিয়ে পরে আশ্রয়ের আবেদন করলে তাঁর ভিসার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে—এমন কোনও তথ্য নেই।

বর্তমান আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে আমেরিকা স্পষ্ট করতে চাইছে যে তাঁরা পর্যটন বা ব্যবসার উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন এবং সফর শেষে নিজেদের দেশে ফিরে আসবেন। আশ্রয়ের আবেদনকে পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় দীর্ঘমেয়াদি থাকার পথ হিসাবে ব্যবহার করা ঠেকানোই প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য।

ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই মার্কিন অভিবাসন ও ভিসা নীতি আরও কঠোর হয়েছে। আবেদনকারীদের সমাজমাধ্যম যাচাই, ভিসা বন্ড এবং নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিধিনিষেধ—একাধিক পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

তবে এই নতুন উদ্যোগ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মানবাধিকার সংগঠনগুলির অভিযোগ, ব্যাপক ভাবে ভিসা বাতিলের ফলে বিদেশি নাগরিকদের আইনি অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *