সশস্ত্র নকশাল প্রায় শেষ, এ বার ‘দিমাগি নকশাল’ নিয়ে সতর্কবার্তা মোদীর, লালকেল্লা থেকে কড়া বার্তা

সশস্ত্র নকশাল প্রায় শেষ, এ বার ‘দিমাগি নকশাল’! স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে মাওবাদ ও নকশালবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি,…

August 15, 2026
1 min read

সশস্ত্র নকশাল প্রায় শেষ, এ বার ‘দিমাগি নকশাল’!

স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে মাওবাদ ও নকশালবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, দেশে সশস্ত্র মাওবাদীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। তবে মাওবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী বা সেই ভাবধারাকে ছড়িয়ে দিতে চান এমন মানুষ এখনও রয়েছেন। তাঁদেরই ‘দিমাগি নকশাল’ বলে উল্লেখ করে চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদী বলেন, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরই তিনি দেশকে মাওবাদমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, মাওবাদ দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসা ও রক্তপাতের পরিবেশ তৈরি করেছে। এর জেরে অসংখ্য তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়েছে এবং বহু পরিবার তাঁদের সন্তানকে হারিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী প্রাণ হারিয়েছেন। চার দশক ধরে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্দুকের জোরে প্রভাব বিস্তার করেছিল মাওবাদীরা বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মাওবাদীরা সংবিধানকে অমান্য করেছে এবং দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পথে বাধা তৈরি করেছে।

তবে সশস্ত্র মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সাফল্যের পরও নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছেন মোদী। তাঁর বক্তব্য, মাওবাদী মতাদর্শে প্রভাবিত ব্যক্তিরা এখনও সমাজের মধ্যে রয়েছেন এবং তাঁরা তরুণ প্রজন্মকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারেন। তাই তাঁদের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদীর কথায়, এই ধরনের মতাদর্শ সমাজে অশান্তি তৈরি করতে পারে এবং তরুণদের দেশের উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। তাই যুবসমাজকে উন্নয়ন, জাতীয় অগ্রগতি এবং ইতিবাচক ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।

কেন্দ্রের মাওবাদবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এর আগে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদমুক্ত করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন। গত এক বছরে একাধিক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলস্রোতে ফেরানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের বেশ কয়েক জন শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা আত্মসমর্পণও করেছেন। এই পরিস্থিতিতে লালকেল্লার ভাষণে মাওবাদমুক্ত ভারতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মোদী স্পষ্ট করেছেন, সশস্ত্র নকশালবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশাপাশি মতাদর্শগত প্রভাব নিয়েও সরকার নজর রাখতে চাইছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *