সঞ্জয়-সন্দীপ জেলে, বিনীত-ইন্দিরা সাসপেন্ড, বদলেছে সরকার, তবু স্বপদে নিগম! দু’বছর পর আরজি করের ‘মুখেরা’ কে কোথায়?

সঞ্জয়-সন্দীপ জেলে, বিনীত-ইন্দিরা সাসপেন্ড, বদলেছে সরকার আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে দু’বছর। সেই সময়ের আন্দোলন, তদন্ত, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক চাপানউতরের কেন্দ্রে…

August 9, 2026
1 min read

সঞ্জয়-সন্দীপ জেলে, বিনীত-ইন্দিরা সাসপেন্ড, বদলেছে সরকার

আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে দু’বছর। সেই সময়ের আন্দোলন, তদন্ত, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক চাপানউতরের কেন্দ্রে থাকা বহু পরিচিত মুখের জীবনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। কেউ জেলে, কেউ সাসপেন্ডেড, কেউ হারিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ। আবার কেউ কেউ এখনও প্রশাসনের অন্দরে রয়েছেন।

নির্যাতিতার পরিবার প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছে, ঘটনায় সঞ্জয় রায় একা অভিযুক্ত নন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন করে তদন্তদল তৈরি করেছে সিবিআই। শুক্রবার আদালতে প্রাথমিক রিপোর্টও জমা পড়েছে। ফলে ফের আলোচনায় এসেছে দু’বছর আগের সেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক আধিকারিক ও ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান।

অভিজিৎ মণ্ডল

ঘটনার সময় টালা থানার ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। আরজি কর হাসপাতাল তাঁর থানার আওতাতেই ছিল। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

তবে নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ওই বছরের ডিসেম্বরেই জামিন পান তিনি। এখনও অবশ্য সাসপেন্ডেড রয়েছেন অভিজিৎ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।

বিনীত গোয়ল

আরজি কর-কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন বিনীত গোয়ল। আন্দোলনকারীদের দাবির পর তাঁকে কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তৎকালীন সরকারের আমলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশি দায়িত্বে ছিলেন। এডিজি এসটিএফ এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলার মতো পদও সামলেছেন।

রাজ্যে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। জুলাইয়ে সেই সাসপেনশনের মেয়াদ আরও চার মাস বাড়ানো হয়েছে।

নির্যাতিতার পরিবার অভিযোগ করেছে, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তদন্তের শুরু থেকেই গাফিলতি ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনা ঘটেছিল। যদিও সিবিআইয়ের চার্জশিটে কলকাতা পুলিশের কমিশনার হিসাবে বিনীতের ভূমিকার উল্লেখ ছিল না। এখন বিভাগীয় তদন্ত শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়

ঘটনার সময় কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। সরাসরি আরজি করের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও আন্দোলনের সময়ে কলকাতা পুলিশের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। ধর্মতলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *