ডিপফেক-অপপ্রচার রুখতে মেটার অ্যালগরিদমে বদল চায় কেন্দ্র!
কেন্দ্রের মূল উদ্বেগের জায়গাগুলির মধ্যে রয়েছে ডিপফেক, বিকৃত কনটেন্ট, বট-চালিত প্রচার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। তাই এই ধরনের বিষয়বস্তু যাতে দ্রুত শনাক্ত করা যায় এবং ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে জন্য অ্যালগরিদম ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।
শুধু অ্যালগরিদম পরিবর্তন নয়, মেটাকে নিজেদের পরিকল্পনার একটি বিস্তারিত রোডম্যাপও জমা দিতে বলা হয়েছে। সেখানে কী ভাবে আপত্তিকর কনটেন্ট শনাক্ত করা হবে, কী ভাবে তার প্রচার কমানো হবে এবং সরকারি ভাবে কোনও কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ এলে কত দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে, সেই বিষয়গুলি স্পষ্ট করতে হবে।
কনটেন্ট মডারেশনেও বাড়তি নজর
বৈঠকে মেটার কনটেন্ট মডারেশন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও জোর দিয়েছে কেন্দ্র। বিশেষ করে সরকারি ভাবে অনুমোদিত কোনও কর্তৃপক্ষ কোনও আপত্তিকর পোস্ট সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অর্থের বিনিময়ে একপেশে তথ্যের প্রচার বা কোনও নির্দিষ্ট কনটেন্টকে কৃত্রিম ভাবে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে কেন্দ্র। একই সঙ্গে বটের মাধ্যমে পরিচালিত প্রচার এবং আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
মোদীর পোস্ট ঘিরে বিতর্কের পরেই তৎপরতা
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি পোস্ট সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর মেটার কর্তাদের তলব করে কেন্দ্র। পরে ওই পোস্ট সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রের কাছে ক্ষমাও চায় সংস্থাটি।
এর পর চলতি সপ্তাহে টানা কয়েক দিন কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে মেটার প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। সেই আলোচনাতেই ডিপফেক, বিকৃত কনটেন্ট এবং অপপ্রচার মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি সামনে আসে।
তবে মেটার নতুন অ্যালগরিদম ঠিক কী ভাবে কাজ করবে বা রোডম্যাপে কী কী নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকবে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। কেন্দ্রের নির্দেশের পর সংস্থাটি কী পরিকল্পনা জমা দেয়, এখন সেটিই নজরে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।