ব্রাজ়িল ম্যাচেই নজর ভারতের, তবু ফিফার আশিয়ান কাপ ছাড়ছে না এআইএফএ! দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সিদ্ধান্তে বিতর্ক

ব্রাজ়িল ম্যাচেই নজর ভারতের! অক্টোবরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে ভারতের প্রদর্শনী ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই ফুটবল মহলে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের মতো ভারতীয় ফুটবলারদের কাছেও এটি বিরল সুযোগ। তবে এই হাই-প্রোফাইল…

August 6, 2026
1 min read

ব্রাজ়িল ম্যাচেই নজর ভারতের!

অক্টোবরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে ভারতের প্রদর্শনী ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই ফুটবল মহলে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের মতো ভারতীয় ফুটবলারদের কাছেও এটি বিরল সুযোগ। তবে এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচের সূচিই এখন ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে ফিফার নতুন টুর্নামেন্ট আশিয়ান কাপ। সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে ভারতের ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ফিফা আশিয়ান কাপ। অন্যদিকে, ৩ অক্টোবর ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা ভারতের। যদি ভারত আশিয়ান কাপের সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছে যায়, তাহলে একই সময়ে দুই প্রতিযোগিতায় প্রথম সারির দল নামানো সম্ভব হবে না। সেই কারণেই ব্রাজ়িল ম্যাচের জন্য মূল দলকে প্রস্তুত রেখে আশিয়ান কাপে অন্য একটি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে ফেডারেশন।

প্রথমবার আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ভারতের গ্রুপে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর। গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরাই কেবল নকআউট পর্বে উঠবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সিঙ্গাপুর ছাড়া বাকি দুই দেশই বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের চেয়ে এগিয়ে।

তবে ফেডারেশনের এই সিদ্ধান্তে একমত নন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া। তিনি মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির জন্য প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে খেলা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

‘খেল নাউ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাইচুং বলেন, “কর্মসমিতির বৈঠকে আমি আশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার পক্ষেই জোর দিয়েছিলাম। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তুলনায় এটি অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। এখানে অংশ নিলে আর্থিক লাভ যেমন আছে, তেমনই ভালো ফল করলে আকর্ষণীয় পুরস্কারও মিলবে। সবচেয়ে বড় কথা, দলের উন্নতির জন্য তিন-চারটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা একটি প্রদর্শনী ম্যাচের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।”

তিনি আরও বলেন, “ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা অবশ্যই বিশেষ। কিন্তু মাত্র একটি ম্যাচ জাতীয় দলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাও ভাবতে হবে।”

ফেডারেশন অবশ্য মাঝামাঝি পথ বেছে নিয়েছে। তারা একদিকে আশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করছে না, অন্যদিকে ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে দেশের সেরা ফুটবলারদের খেলানোর সিদ্ধান্তেও অনড় রয়েছে। ফলে দুটি আলাদা দল নিয়ে একই সময়ে দুই মঞ্চে নামবে ভারত।

এখন দেখার বিষয়, এই কৌশল ভারতীয় ফুটবলের জন্য কতটা কার্যকর হয়। একদিকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ, অন্যদিকে নতুন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অভিজ্ঞতা অর্জনের মঞ্চ— দুই লক্ষ্যই একসঙ্গে পূরণ করতে পারে কি না, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *