জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নয়, প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ১ মিনিট! ৬০ বছরেও ফিট থাকার সহজ মন্ত্র জানালেন মিলিন্দ সোমন

৬০ বছরেও ফিট থাকার সহজ মন্ত্র জানালেন মিলিন্দ সোমন! ফিট থাকতে কি রোজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে কাটাতেই হবে? ৬০ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফিটনেস ধরে রাখা অভিনেতা ও সুপারমডেল মিলিন্দ…

July 24, 2026
1 min read

৬০ বছরেও ফিট থাকার সহজ মন্ত্র জানালেন মিলিন্দ সোমন!

ফিট থাকতে কি রোজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে কাটাতেই হবে? ৬০ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফিটনেস ধরে রাখা অভিনেতা ও সুপারমডেল মিলিন্দ সোমনের উত্তর— একেবারেই নয়। বরং ব্যস্ত জীবনের মাঝেই সামান্য সময় বের করে শরীর সচল রাখার পরামর্শ দিলেন তিনি। এমনকি, প্রয়োজন হলে পোশাক পরার অভ্যাসও বদলে ফেলতে বললেন।

বর্তমান জীবনযাত্রায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডেস্কে বসে কাজ করা, অবসর পেলেই মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখা— এই অভ্যাসই শরীরের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। হৃদ্‌যন্ত্র, লিভার, মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে পুরো শরীরের উপরেই এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার মধ্যে নিয়মিত ব্যায়ামের সময় কোথায়? এই প্রশ্নেরই সহজ উত্তর দিয়েছেন মিলিন্দ।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অনেকে বলেন, অফিসের পোশাকে নড়াচড়া করা যায় না। তাহলে এমন পোশাকই বা পরবেন কেন, যা আপনাকে সচল থাকতে বাধা দেয়?” তাঁর মতে, প্রয়োজন হলে পোশাকের ধরন বদলানো উচিত, যাতে কাজের মাঝেও সহজে শরীরচর্চা করা যায়।

মিলিন্দের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ— প্রতি ঘণ্টায় মাত্র এক মিনিট সময় নিজের জন্য রাখুন। সেই এক মিনিটে ১০টি স্কোয়াট করলেই যথেষ্ট। আলাদা করে কঠিন ব্যায়াম বা ভারী ওয়ার্কআউটের প্রয়োজন নেই। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকার বদলে শরীরকে বারবার সচল রাখাই আসল লক্ষ্য।

তিনি জানান, নিজেও এই অভ্যাস দীর্ঘদিন ধরে মেনে চলেন। দিনের শুরুটাও করেন খুব সহজ কয়েকটি ব্যায়ামের মাধ্যমে। ঘুম থেকে ওঠার আগে প্রায় দু’মিনিট বিছানাতেই স্ট্রেচিং এবং কোর এক্সারসাইজ করেন। এরপর প্রায় ৪৫ সেকেন্ড পুশ-আপ। মিলিন্দের কথায়, “সারা দিনে এটুকুই আলাদা করে ব্যায়াম করি।”

তবে তাঁর ফিটনেসের আসল রহস্য জিমে নয়, বরং সারাদিন সক্রিয় থাকার অভ্যাসে। যতটা সম্ভব হাঁটা, নড়াচড়া করা এবং দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে না থাকা— এই সাধারণ নিয়মগুলোই তাঁকে ৬০ বছর বয়সেও তরুণদের মতো ফিট থাকতে সাহায্য করেছে।

মিলিন্দের মতে, সুস্থ থাকার জন্য সব সময় বড়সড় ফিটনেস পরিকল্পনার প্রয়োজন হয় না। বরং ছোট ছোট অভ্যাস— যেমন প্রতি ঘণ্টায় এক মিনিট দাঁড়ানো, কয়েকটি স্কোয়াট করা বা একটু হাঁটা— দীর্ঘমেয়াদে শরীরকে অনেক বেশি সুস্থ ও সচল রাখতে পারে। তাঁর বার্তা স্পষ্ট, ব্যস্ততা যতই থাকুক, নিজের শরীরের জন্য দিনে কয়েক মিনিট সময় বের করতেই হবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *