বালোগান বিতর্কে ফের সরব ট্রাম্প, ‘ফিফা সভাপতিকে ফোন করতেই হয়েছিল’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

বালোগান বিতর্কে ফের সরব ট্রাম্প! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও পরে শাস্তি স্থগিত হওয়া নিয়ে নতুন…

July 18, 2026
1 min read

বালোগান বিতর্কে ফের সরব ট্রাম্প!

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও পরে শাস্তি স্থগিত হওয়া নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করে তিনি পুরনো বিতর্কই আরও উসকে দিলেন। যদিও ট্রাম্পের দাবি, এবারের বিশ্বকাপ ছিল সম্পূর্ণ বিতর্কহীন এবং বালোগান-কাণ্ডেও কোনও অসঙ্গতি হয়নি।

বিশ্বকাপ আয়োজনের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, এবারের টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা, নাটকীয়তা এবং স্মরণীয় মুহূর্তে ভরপুর ছিল। তবে তাঁর মতে, সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল বালোগানকে লাল কার্ড দেখানো। সেই প্রসঙ্গেই তিনি জানান, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করে তিনি একটি ‘সুপারিশ’ করেছিলেন।

ট্রাম্পের কথায়, “আমি ফিফা সভাপতিকে ফোন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। বলেছিলাম, আমি একটি অভিযোগ জানাতে চাই। তখন কী হবে, তা জানতাম না। তবে শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে, তা ভালই হয়েছে। কারণ এতে কোনও বিতর্ক নেই। বেলজিয়াম ম্যাচে আমাদের সব খেলোয়াড়ই মাঠে ছিল এবং ফিফা সভাপতির সিদ্ধান্ত যথাযথ ছিল।”

তবে বাস্তবে এই ঘটনাই এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় বিতর্কগুলির একটি হিসেবে উঠে এসেছে। বালোগান লাল কার্ড দেখার পর নিয়ম অনুযায়ী দু’ম্যাচের জন্য নির্বাসিত হন। পরে ট্রাম্পের ফোনালাপের পর তাঁর শাস্তি এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয় এবং বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেওয়া হয়।

যদিও ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়েছেন, ট্রাম্প ফোন করলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার কোনও প্রভাব ছিল না। তবু সমালোচকদের প্রশ্ন, একই ধরনের ঘটনায় অন্য দেশগুলির ফুটবলারদের ক্ষেত্রে এমন সুবিধা কেন দেওয়া হয়নি?

উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসার ঘটনা। একই ধরনের ফাউলে লাল কার্ড দেখেও তাঁকে দু’ম্যাচের নির্বাসন ভোগ করতে হয়েছে। এমনকি শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, বেলজিয়ামের পক্ষ থেকে বালোগানের বিষয়ে করা আপত্তিও ফিফা গ্রহণ করেনি।

বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও নিজের মত প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র একাই বিশ্বকাপ আয়োজন করুক— এমন ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পরের বার মেক্সিকো ও কানাডাকে সঙ্গে না নিয়ে শুধু আমেরিকাকেই বেছে নেওয়া উচিত।

এরপর রসিকতার সুরে তিনি আরও বলেন, ফিফা সভাপতি নাকি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও চিনকে নিয়ে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা ভাবছেন। ট্রাম্পের মতে, তাতে খেলোয়াড়দের ম্যাচের মাঝে “ছোট্ট একটি বিমান সফর” করতে হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত একাধিক দেশে বিশ্বকাপ আয়োজনের কারণে ফুটবলারদের দীর্ঘ যাতায়াতের ধকলের প্রসঙ্গই তুলে ধরতে চেয়েছেন। এবারের তিন দেশের যৌথ আয়োজনে দলগুলিকে এক শহর থেকে অন্য শহর, এমনকি এক দেশ থেকে অন্য দেশে নিয়মিত যাতায়াত করতে হওয়ায় বিষয়টি নিয়েও টুর্নামেন্টজুড়ে আলোচনা হয়েছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *