ফাউল বিতর্কের পর মুখ খুললেন বেলিংহ্যাম, মেসির সঙ্গে মাঠের উত্তপ্ত মুহূর্ত নিয়ে জানালেন আসল ঘটনা

ফাউল বিতর্কের পর মুখ খুললেন বেলিংহ্যাম! বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শুধু ফুটবল নয়, আবেগও ছিল তুঙ্গে। ম্যাচের প্রথমার্ধে এক ফাউলকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি হয়ে পড়েন দুই তারকা—লিয়োনেল…

July 16, 2026
0 min read

ফাউল বিতর্কের পর মুখ খুললেন বেলিংহ্যাম!

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শুধু ফুটবল নয়, আবেগও ছিল তুঙ্গে। ম্যাচের প্রথমার্ধে এক ফাউলকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি হয়ে পড়েন দুই তারকা—লিয়োনেল মেসি ও জুড বেলিংহ্যাম। মাঠে তাঁদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও, ম্যাচ শেষে সেই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, বিষয়টি শুধুই খেলার অংশ ছিল, ব্যক্তিগত কোনও বিরোধ নয়।

ঘটনাটি ঘটে বল দখলের লড়াইয়ে। একই বলের জন্য ঝাঁপাতে গিয়ে দু’জনেই মাটিতে পড়ে যান। মেসির দাবি ছিল, বেলিংহ্যাম তাঁকে ফাউল করেছেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সেই সময় বেলিংহ্যামও নিজের অবস্থান জানাতে এগিয়ে আসেন। দু’জনের মধ্যে কয়েক মুহূর্ত উত্তপ্ত আলোচনা চললেও পরে রেফারি এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

মাঠের সেই কথোপকথন সম্পর্কে পরে জানা যায়, মেসি রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ফাউলটি আর্জেন্টিনার পক্ষেই দেওয়া উচিত ছিল। বেলিংহ্যাম অবশ্য বারবার জানান, তাঁর মতে কোনও ফাউল হয়নি। মেসি আরও অভিযোগ করেন, তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দু’জনেই তর্ক থামিয়ে খেলা চালিয়ে যান।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সামনে বেলিংহ্যাম বলেন, “আমরা শুধু একটি ফাউল নিয়ে আলোচনা করছিলাম। এর মধ্যে কোনও খারাপ ব্যাপার ছিল না। মাঠে প্রত্যেকেই নিজের দলের জন্য লড়াই করে। আগের একটি ঘটনায় ফাউল দেওয়া হয়েছিল। তখন মেসি আমাকে বলেছিল, ‘তাহলে আমার ক্ষেত্রেও ফাউল দেওয়া হবে না কেন?’ আমি শুধু বলেছিলাম, ‘এই ধরনের ধাক্কা সামলানোর ক্ষমতা তোমার আছে।’ ব্যস, এতটুকুই কথাবার্তা হয়েছিল।”

তিনি আরও পরিষ্কার করে জানান, মেসির সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। বরং বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের বিরুদ্ধে খেলতে পারাকে নিজের জন্য বড় সম্মান বলেই মনে করেন।

বেলিংহ্যামের কথায়, “মেসির বিরুদ্ধে খেলাটা আমার কাছে গর্বের বিষয়। হ্যাঁ, আমরা হেরেছি বলে অবশ্যই কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু তার জন্য মেসির প্রতি কোনও রাগ বা ক্ষোভ নেই। ওর মতো একজন কিংবদন্তির বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারা সবসময়ই বিশেষ অভিজ্ঞতা।”

মাঠে উত্তেজনা থাকলেও ম্যাচ শেষে দুই প্রজন্মের দুই তারকার পারস্পরিক সম্মানই শেষ পর্যন্ত ফুটে উঠেছে। ফুটবলের বড় মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যতই তীব্র হোক, খেলার প্রতি শ্রদ্ধাই যে সবচেয়ে বড় পরিচয়—মেসি ও বেলিংহ্যামের এই ঘটনাই তার আরেকটি উদাহরণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *