এমবাপে-ওলিসের জাদুতে দুর্বার ফ্রান্স, বিশ্বকাপে এই দলকে থামাবে কে?

এমবাপে-ওলিসের জাদুতে দুর্বার ফ্রান্স! বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে একটাই ছবি— এ মুহূর্তে সবচেয়ে ছন্দে থাকা দল ফ্রান্স। যেখানে একের পর এক শক্তিশালী দল অঘটনের শিকার হচ্ছে, সেখানে কিলিয়ান…

July 2, 2026
1 min read

এমবাপে-ওলিসের জাদুতে দুর্বার ফ্রান্স!

বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে একটাই ছবি— এ মুহূর্তে সবচেয়ে ছন্দে থাকা দল ফ্রান্স। যেখানে একের পর এক শক্তিশালী দল অঘটনের শিকার হচ্ছে, সেখানে কিলিয়ান এমবাপে, মাইকেল ওলিসে ও উসমান দেম্বেলেদের ফ্রান্স যেন অনায়াসে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে চলেছে। তাদের খেলায় যেমন গতি, তেমনই রয়েছে পরিকল্পনা, আত্মবিশ্বাস এবং দুর্দান্ত সমন্বয়।

২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০২২ সালের রানার্স-আপ ফ্রান্স এবারও অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই বিশ্বকাপে নেমেছিল। সেই মর্যাদা ধরে রেখেই গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে টানা জয় তুলে নেয় তারা। শুধু জয় নয়, আক্রমণাত্মক ফুটবলও উপহার দিয়েছে। গ্রুপ পর্বে ১০ গোল করে তারা ছিল সর্বোচ্চ গোলদাতাদের অন্যতম।

রাউন্ড অফ ৩২-এ সুইডেনের বিরুদ্ধে ফরাসিদের আধিপত্য ছিল আরও স্পষ্ট। প্রতিপক্ষের দলে ইউরোপের নামী লিগে খেলা একাধিক ফুটবলার থাকলেও ম্যাচজুড়ে তাদের চাপে রাখে ফ্রান্স। গোলের উদ্দেশে মোট ২৫টি শট নেয় তারা, যার মধ্যে ১২টি ছিল লক্ষ্যে। এত ধারাবাহিক আক্রমণই প্রমাণ করে, প্রতিপক্ষকে এক মুহূর্তও স্বস্তি দেয় না দিদিয়ের দেশঁর দল।

এই ফ্রান্স দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র নিঃসন্দেহে কিলিয়ান এমবাপে। সুইডেনের বিরুদ্ধে প্রথম সুযোগ নষ্ট করলেও পরে জোড়া গোল করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছয় গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছেছে ১৮-তে, মাত্র ১৮ ম্যাচে। গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা— সব মিলিয়ে তিনি এখনও বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ফরোয়ার্ড।

তবে শুধু এমবাপে নন, ফ্রান্সের মাঝমাঠের প্রাণভোমরাও হয়ে উঠেছেন মাইকেল ওলিসে। আক্রমণ গড়ে তোলা, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, সঠিক সময়ে পাস দেওয়া কিংবা নিজে গোলের সুযোগ তৈরি— সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি। সুইডেনের বিরুদ্ধে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় গোটা মাঠজুড়ে দাপট দেখিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তাঁকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান মিডফিল্ডার বলা হচ্ছে।

ফ্রান্সের শক্তির আরেকটি বড় দিক তাদের স্কোয়াডের গভীরতা। দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা কিংবা রক্ষণে দায়ো উপামেকানোর মতো ফুটবলাররা প্রত্যেকেই নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁতভাবে পালন করছেন। ফলে কোনও একটি তারকার উপর নির্ভর না করেও দলটি ধারাবাহিক সাফল্য পাচ্ছে।

বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ফ্রান্সের খেলায় বড় কোনও দুর্বলতা চোখে পড়েনি। আক্রমণ, মাঝমাঠ, রক্ষণ— সব বিভাগেই তারা ভারসাম্যপূর্ণ। তাই টুর্নামেন্ট যত এগোচ্ছে, ততই প্রশ্ন উঠছে— এই দুরন্ত ছন্দে থাকা ফরাসি দলকে আদৌ থামাতে পারবে কে?

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *