বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন জেকো!
বিশ্বকাপ থেকে বসনিয়া ও হারজেগোভিনার বিদায় নিশ্চিত হলেও ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে রাখলেন দলের অধিনায়ক এডিন জেকো। আমেরিকার বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচে মাঠে নেমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে নকআউট পর্বে খেলা ফুটবলারের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
ম্যাচের দিন জেকোর বয়স ছিল ৪০ বছর ১০৬ দিন। এর আগে কোনও ফুটবলার ৪০ বছর পেরিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে মাঠে নামেননি। সেই হিসেবে নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।
তবে এই নজির খুব বেশি দিন টিকে থাকার সম্ভাবনা নেই। মাত্র ২৩ ঘণ্টা পরেই রেকর্ডটি ভেঙে যেতে পারে। কারণ, পরবর্তী নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার। সেই ম্যাচে যদি প্রথম একাদশে থাকেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও লুকা মদ্রিচ, তবে দু’জনেই বয়সের বিচারে জেকোকে ছাপিয়ে যাবেন।
ম্যাচের সময় রোনাল্ডোর বয়স হবে ৪১ বছর ১৪৭ দিন, আর মদ্রিচের বয়স ৪০ বছর ২৯৬ দিন। ফলে রোনাল্ডো মাঠে নামলেই তিনি বিশ্বকাপের নকআউটে সবচেয়ে বেশি বয়সে খেলা ফুটবলারের নতুন রেকর্ড গড়বেন। একই সঙ্গে মদ্রিচও জেকোর আগে উঠে যাবেন তালিকায়। সেক্ষেত্রে জেকো নেমে যাবেন তৃতীয় স্থানে।
রেকর্ড গড়লেও ম্যাচটি সুখকর হয়নি বসনিয়ার অধিনায়কের জন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। বাকি সময় সাইডলাইনে বসেই সতীর্থদের লড়াই দেখেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় বসনিয়া ও হারজেগোভিনার।
এবারই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল বসনিয়া। প্রথমবারের তুলনায় অনেক ভালো পারফরম্যান্স করে তারা নকআউটে জায়গা করে নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আয়োজক দেশ আমেরিকার বাধা টপকাতে পারেনি।
দল বিদায় নিলেও এডিন জেকোর এই কীর্তি তাঁর দীর্ঘ ফুটবল জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। যদিও সেই বিশ্বরেকর্ড হয়তো মাত্র এক দিনের মধ্যেই ইতিহাসের পাতায় স্থান বদলাবে, তবু ৪০ বছর পেরিয়েও সর্বোচ্চ মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নজির আগামী প্রজন্মের ফুটবলারদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?