‘যেখানে হাত দিচ্ছি, সেখানেই ধ্বংসলীলা’— বিধান রায় ও জ্যোতি বসুর প্রসঙ্গ টেনে প্রাক্তন সরকারকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

প্রাক্তন সরকারকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর! জাতীয় চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সরকারি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ শানালেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি…

July 1, 2026
1 min read

প্রাক্তন সরকারকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!

জাতীয় চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সরকারি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ শানালেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি একদিকে যেমন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Bidhan Chandra Roy-কে শ্রদ্ধা জানান, তেমনই স্মরণ করেন Jyoti Basu-কেও। সেই প্রসঙ্গ টেনেই বর্তমান রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের বয়স তখনও দু’মাস পূর্ণ হয়নি। এই সময়ে কাজ করতে গিয়ে তাঁর বারবার মনে পড়ছে জ্যোতি বসুর একটি বক্তব্য। তাঁর কথায়, জ্যোতি বসু একসময় বলেছিলেন, তিনি যেখানে কাজ শুরু করতে গিয়েছেন, সেখানেই দেখেছেন বিধানচন্দ্র রায় আগে থেকেই উন্নয়নের ভিত গড়ে দিয়ে গিয়েছেন। সেই বক্তব্যের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা টেনে শুভেন্দুর মন্তব্য, “আমি যেখানেই হাত দিচ্ছি, সেখানেই শুধু ধ্বংসলীলা দেখতে পাচ্ছি।” যদিও তিনি কারও নাম নেননি, তাঁর মন্তব্য যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র সরকারকে লক্ষ্য করেই, তা স্পষ্ট।

অনুষ্ঠানে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বিধাননগর মাল্টি স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল’ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসঙ্গে শুভেন্দুর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বহু মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য রাজ্যে যেতে হয়েছে। তাঁর দাবি, অন্যান্য রাজ্যে Ayushman Bharat প্রকল্প চালু থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এতদিন সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার অল্প সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথ চুক্তি করে রাজ্যে প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নত করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এদিন তিনি ২০০টি নতুন অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার উদ্বোধন করেন, যা ১০২ নম্বরে ফোন করলেই পাওয়া যাবে। মূলত অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও নবজাতকদের জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে শয্যা না পাওয়া রোগীদের জন্য বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের ব্যবস্থার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবনে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে, যাতে সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।

জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে নদিয়ায় নতুন ড্রাগ কন্ট্রোল অফিস, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া (দক্ষিণ) ও পূর্ব মেদিনীপুরের রানিচকে নতুন আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে একটি পাবলিক হেলথ ইউনিট এবং মাতৃসুরক্ষার জন্য জননী পোর্টাল চালুর কথাও ঘোষণা করেন তিনি। একই সঙ্গে রাজ্যে Pradhan Mantri Matru Vandana Yojana-র আনুষ্ঠানিক সূচনার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *