বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আয়োজক মেক্সিকো, নিষ্প্রভ ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে দাপুটে জয়

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আয়োজক মেক্সিকো! ঘরের মাঠের সমর্থকদের সামনে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল আয়োজক দেশ মেক্সিকো। মঙ্গলবার রাতে (ভারতীয় সময় বুধবার ভোরে) তারা ২-০ গোলে…

July 1, 2026
1 min read

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আয়োজক মেক্সিকো!

ঘরের মাঠের সমর্থকদের সামনে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল আয়োজক দেশ মেক্সিকো। মঙ্গলবার রাতে (ভারতীয় সময় বুধবার ভোরে) তারা ২-০ গোলে হারাল ইকুয়েডরকে। জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটে ওঠা ইকুয়েডরকে এ দিন একেবারেই চেনা ছন্দে দেখা যায়নি। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে বিদায় নিতে হল লাতিন আমেরিকার দলকে।

এখন প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড ও ডিআর কঙ্গো ম্যাচের বিজয়ী।

ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল ভারতীয় সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে খেলা শুরু হয়। বিরূপ আবহাওয়ার পরও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। নিজেদের মাঠে খেলায় প্রত্যাশার চাপ থাকলেও তা সামলে দারুণ ছন্দে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা।

ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটেই অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল মেক্সিকো। ১৭ বছর বয়সি গিলবার্তো মোরা দু’বার সুযোগ হাতছাড়া করেন। একবার লক্ষ্যভ্রষ্ট হন রাউল হিমেনেস। তবে আক্রমণের ধার দেখে স্পষ্ট ছিল, গোল আসতে বেশি দেরি হবে না।

২২ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান হয়। রোবের্তো আলভারাদোর পাস থেকে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে এসে দুর্দান্ত শটে গোল করেন জুলিয়ান কিনোনেস। ইকুয়েডরের গোলরক্ষকের কোনও সুযোগই ছিল না।

এর মাত্র ন’মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে মেক্সিকো। বক্সের সামনে সুন্দর পাস বিনিময়ের পর কিনোনেসের সহযোগিতায় নিখুঁত ফিনিশে গোল করেন রাউল হিমেনেস। প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় আয়োজকরা।

অন্য দিকে, জার্মানিকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইকুয়েডর এ দিন আক্রমণে ধার দেখাতে ব্যর্থ হয়। কয়েকটি সুযোগ পেলেও সেগুলি কাজে লাগাতে পারেনি। ম্যাচের আগে মেক্সিকোর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইকুয়েডরের হোটেলের সামনে ড্রাম বাজানো, আতসবাজি ফাটিয়ে ফুটবলারদের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটানোর অভিযোগও ওঠে। বিষয়টি ফিফার কাছে জানানো হলেও মাঠে তার কোনও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি ইকুয়েডর।

ম্যাচের শেষ দিকে আরও বিপাকে পড়ে তারা। ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী মাঠে মুখ ঢেকে কথা বললে শাস্তির বিধান রয়েছে। ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে মেক্সিকোর সান্তিয়াগো হিমেনেসকে মুখ ঢেকে কিছু বলতে দেখা যায়। ভিডিও সহকারী রেফারির (VAR) সাহায্যে ঘটনা পর্যালোচনা করে রেফারি তাঁকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ফলে ১০ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে হয় ইকুয়েডরকে।

১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনও ম্যাচ জিতল মেক্সিকো। দলের খেলায় স্পষ্ট উন্নতির ছাপ মিললেও সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। শেষ আটে জায়গা করে নিতে হলে পরের ম্যাচেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে আয়োজক দেশকে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *