ঝাঁটা ও মা লক্ষ্মী!
ভারতীয় লোকবিশ্বাস, বাস্তুশাস্ত্র এবং কিছু জ্যোতিষীয় মত অনুযায়ী ঝাঁটাকে সমৃদ্ধি ও Lakshmi-র প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তবে এগুলি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস, বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নিয়ম নয়। যারা এই বিশ্বাস মেনে চলেন, তাঁদের কাছে ঝাঁটা ব্যবহারের কয়েকটি প্রচলিত নিয়ম রয়েছে।
প্রচলিত ৭টি নিয়ম
- ঝাঁটায় পা লাগলে প্রণাম করা
অনেকের বিশ্বাস, ঝাঁটায় ভুল করে পা লেগে গেলে সেটিকে স্পর্শ করে প্রণাম বা ক্ষমা চাওয়া উচিত। এটি লক্ষ্মীদেবীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। - ঝাঁটা প্রকাশ্যে না রাখা
ঝাঁটা ব্যবহার শেষে এমন জায়গায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, যেখানে তা সহজে চোখে না পড়ে। বিশ্বাস করা হয়, এতে অযথা অর্থব্যয় কম হয় এবং সংসারে সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়। - সূর্যাস্তের পরে ঝাঁটা বাইরে না রাখা
বাস্তুমতে, সন্ধ্যার পরে ঝাঁটা ঘরের ভিতরেই রাখা উচিত। বাইরে রেখে দিলে শুভশক্তির প্রভাব কমে যেতে পারে বলে ধারণা রয়েছে। - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
অনেকের মতে, ঝাঁটা পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখলে বাড়ির পরিবেশ ইতিবাচক থাকে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার এ কাজ করলে শুভ ফল মেলে— এমন বিশ্বাসও প্রচলিত। - ঝাঁটা দাঁড় করিয়ে না রাখা
ব্যবহারের পর ঝাঁটা শুইয়ে রাখাই শুভ বলে মনে করা হয়। দাঁড় করিয়ে রাখাকে বাস্তুর দৃষ্টিতে অশুভ ধরা হয়। - খাটের নীচে ঝাঁটা না রাখা
শোবার খাটের নীচে ঝাঁটা রাখলে নেতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়— এমন ধারণা বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়। - ঠাকুরঘর বা বাথরুমের পাশে না রাখা
পূজার স্থান বা বাথরুমের আশপাশে ঝাঁটা রাখা অনুচিত বলে মনে করা হয়। এর মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও ধর্মীয় মর্যাদা— দুই-ই বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মনে রাখবেন
এই নিয়মগুলি মূলত বাস্তুশাস্ত্র ও লোকবিশ্বাসের অংশ। এগুলির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ঝাঁটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা এবং বাড়ি গুছিয়ে রাখা— এগুলি স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনের জন্য অবশ্যই উপকারী।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?