কুমির আতঙ্কে রোনাল্ডোরা! বিশ্বকাপের আগে হোটেলবন্দি পর্তুগাল শিবির, অনুশীলনের বদলে ভরসা জিম

বিশ্বকাপের আগে হোটেলবন্দি পর্তুগাল শিবির! বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার আগে সাধারণত ফুটবলারদের সবচেয়ে বড় চিন্তা থাকে প্রতিপক্ষ, চোট বা কৌশল নিয়ে। কিন্তু পর্তুগাল শিবিরে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একেবারেই অন্য কিছু— কুমির!…

June 17, 2026
0 min read

বিশ্বকাপের আগে হোটেলবন্দি পর্তুগাল শিবির!

বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার আগে সাধারণত ফুটবলারদের সবচেয়ে বড় চিন্তা থাকে প্রতিপক্ষ, চোট বা কৌশল নিয়ে। কিন্তু পর্তুগাল শিবিরে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একেবারেই অন্য কিছু— কুমির!

ফ্লরিডায় নিজেদের বিশ্বকাপ শিবিরে পৌঁছানোর পর থেকেই অস্বস্তিতে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং তাঁর সতীর্থেরা। কারণ, দলের অনুশীলন কেন্দ্রের আশপাশে একাধিক কুমির ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছে। সেই ঘটনার পর থেকেই অনেক ফুটবলার খোলা মাঠে যাওয়ার বদলে হোটেলের জিমেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন।

পর্তুগাল দল বর্তমানে ফ্লরিডার পাম বিচ গার্ডেন্স এলাকায় অবস্থান করছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, অন্তত চারটি কুমিরকে ওই অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই খেলোয়াড়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

কয়েক দিন আগেই বিশ্বকাপে সুইৎজ়ারল্যান্ড শিবিরে সাপ দেখা যাওয়ার খবর শিরোনামে এসেছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল কুমির। তবে সাপের চেয়ে কুমিরের উপস্থিতি যে অনেক বেশি ভয় ধরিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

পর্তুগালের জনপ্রিয় ক্রীড়া সংবাদপত্র আ বোলা আগেই সতর্ক করেছিল। দল আমেরিকায় পৌঁছানোর আগেই তারা জানিয়েছিল, শিবির সংলগ্ন এলাকায় অন্তত তিনটি কুমিরের দেখা মিলেছে। পরে সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

পাম বিচ গার্ডেন্সের যে এলাকায় পর্তুগাল শিবির গেড়েছে, সেটি মূলত বনাঞ্চল ঘেরা অঞ্চল। নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট পার্কের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে জলাভূমি ও প্রাকৃতিক জলাশয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেখান থেকেই কুমিরগুলি মাঝে মাঝে মানুষের ব্যবহৃত এলাকায় চলে আসে। ফ্লরিডার বাসিন্দাদের কাছে এমন দৃশ্য নতুন নয়, কিন্তু ইউরোপ বা বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত থেকে আসা ফুটবলারদের জন্য বিষয়টি নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক।

পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পর্তুগাল দল। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করা হয়েছে যে অনুশীলনে কোনও সমস্যা হবে না। তবুও পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

দলের একাংশ এখন খোলা মাঠের বদলে জিমেই ফিটনেস অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতার আগে অপ্রত্যাশিত এই পরিস্থিতি কিছুটা হলেও প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে মাঠের লড়াই থেমে নেই। ১৭ জুন ভারতীয় সময় রাত ১০টা ৩০ মিনিটে কঙ্গোর বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে পর্তুগাল। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচ রয়েছে।

প্রতিপক্ষকে হারানোর পরিকল্পনার পাশাপাশি এখন রোনাল্ডোদের আর একটি অদ্ভুত চ্যালেঞ্জ সামলাতে হচ্ছে— শিবিরের আশপাশে ঘুরে বেড়ানো কুমিরদের আতঙ্ক।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *