বিশ্বকাপে তরুণদের ঝড়ের মাঝেও ‘অমর’ সাত তারকা, ৪০ পেরিয়েও মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত ফুটবলের প্রবীণ যোদ্ধারা

বিশ্বকাপে তরুণদের ঝড়ের মাঝেও ‘অমর’ সাত তারকা! ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই নতুন নক্ষত্রের উত্থান, তরুণ প্রতিভার বিস্ফোরণ আর বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার লড়াই। ২০২৬ বিশ্বকাপেও নজর থাকবে লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম…

June 5, 2026
1 min read

বিশ্বকাপে তরুণদের ঝড়ের মাঝেও ‘অমর’ সাত তারকা!

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই নতুন নক্ষত্রের উত্থান, তরুণ প্রতিভার বিস্ফোরণ আর বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করার লড়াই। ২০২৬ বিশ্বকাপেও নজর থাকবে লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম কিংবা জামাল মুসিয়ালাদের মতো তরুণদের দিকে। তবে এ বারের বিশ্বকাপে আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে— ৪০ পেরিয়েও মাঠে নামতে চলেছেন কয়েক জন কিংবদন্তি ফুটবলার, যাঁরা প্রমাণ করে চলেছেন যে বয়স কেবল একটি সংখ্যা।

অভিজ্ঞতার জোরে বিশ্বকাপের মঞ্চে

ফুটবল এমন একটি খেলা যেখানে গতি, শক্তি ও ফিটনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেশির ভাগ ফুটবলারই ৩৫-এর আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান। কিন্তু কিছু ব্যতিক্রমী তারকা এখনও দেশের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপের মতো কঠিন প্রতিযোগিতায় নামতে প্রস্তুত।

১. ক্রেগ গর্ডন (স্কটল্যান্ড) – ৪৩ বছর

২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রবীণ ফুটবলার। স্কটল্যান্ডের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন এখনও দুর্দান্ত ফিট। বহু বছর ধরে দেশের হয়ে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দেওয়ার পর এই বিশ্বকাপ তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম বড় মঞ্চ হতে পারে।

২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (পর্তুগাল) – ৪১ বছর

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় নামগুলির একটি। এটি হতে পারে রোনাল্ডোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। ক্লাব ফুটবলে অসংখ্য সাফল্য এলেও বিশ্বকাপ ট্রফি এখনও অধরা। তাই এই আসর তাঁর শেষ বড় স্বপ্নপূরণের সুযোগ।

৩. লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া) – ৪০ বছর

২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার প্রাণভোমরা। রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘ সাফল্যের পরও জাতীয় দলের জন্য তাঁর আবেগ অটুট। মাঝমাঠে তাঁর অভিজ্ঞতা এখনও অমূল্য।

৪. ম্যানুয়েল নয়্যার (জার্মানি) – ৪০ বছর

গোলরক্ষকদের মধ্যে এক যুগান্তকারী নাম। আন্তর্জাতিক অবসরের জল্পনা থাকলেও আবার জার্মানির বিশ্বকাপ দলে ফিরেছেন। তাঁর উপস্থিতি জার্মান রক্ষণকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে।

৫. গুইয়ের্মো ওচোয়া (মেক্সিকো) – ৪০ বছর

বিশ্বকাপ এলেই যেন অন্য রূপে দেখা যায় ওচোয়াকে। এটি তাঁর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। মেক্সিকোর হয়ে ১৫০-এর বেশি ম্যাচ খেলা এই গোলরক্ষক এখনও সমান জনপ্রিয়।

৬. এডিন জেকো (বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা) – ৪০ বছর

বসনিয়ার ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার। ৪০০-র বেশি কেরিয়ার গোল করা এই স্ট্রাইকার এখনও দলের অধিনায়ক এবং আক্রমণের মূল ভরসা।

৭. ভোজিনহা (কেপ ভার্দে) – ৪০ বছর

ছোট্ট আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দে প্রথম বার বিশ্বকাপে খেলতে চলেছে। সেই ঐতিহাসিক অভিযানে দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন এঁরা এখনও বিশেষ?

এই সাত ফুটবলারের সাফল্যের রহস্য শুধু প্রতিভা নয়, বরং অসাধারণ শৃঙ্খলা, ফিটনেস এবং খেলার প্রতি অগাধ ভালোবাসা। তরুণদের গতি হয়তো বেশি, কিন্তু বড় ম্যাচে চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে এই প্রবীণ তারকারা এখনও অনেকের থেকে এগিয়ে।

২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন নায়কদের জন্ম হবে ঠিকই, কিন্তু ফুটবলপ্রেমীদের চোখ থাকবে এই প্রবীণ যোদ্ধাদের দিকেও। কারণ, বয়সের সীমা পেরিয়ে তাঁরা এখনও প্রমাণ করে চলেছেন— ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থাকলে স্বপ্ন কখনও বুড়ো

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *