রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মোহনবাগানে ধাক্কা, সহ-সভাপতির পদ ছাড়লেন কুণাল ঘোষ

রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মোহনবাগানে ধাক্কা! রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ বদলানোর প্রভাব যে ময়দানেও পড়তে শুরু করেছে, তারই যেন নতুন ইঙ্গিত মিলল মঙ্গলবার। Mohun Bagan Super Giant-এর সহ-সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন…

May 27, 2026
1 min read

রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মোহনবাগানে ধাক্কা!

রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ বদলানোর প্রভাব যে ময়দানেও পড়তে শুরু করেছে, তারই যেন নতুন ইঙ্গিত মিলল মঙ্গলবার। Mohun Bagan Super Giant-এর সহ-সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন Kunal Ghosh। নিজেই সমাজমাধ্যমে সেই খবর জানিয়ে কুণাল দাবি করেছেন, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে মোহনবাগান ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্তকে চিঠি পাঠিয়ে পদত্যাগের কথা জানান কুণাল। সেই চিঠির বক্তব্যও তিনি প্রকাশ্যে আনেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে সহ-সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। আমি মোহনবাগানের সদস্য ও সমর্থক হিসেবেই থাকব। দয়া করে ইস্তফা গ্রহণ করবেন।”

তবে এই ইস্তফা ঘিরে জল্পনা থামছে না। কারণ, গত কয়েক বছরে রাজ্যের শাসকদলের একাধিক নেতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল। আইএফএ থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান— সর্বত্রই রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলেছে বারবার। সেই প্রেক্ষাপটে কুণালের সরে দাঁড়ানোকে অনেকেই শুধুমাত্র “ব্যক্তিগত কারণ” বলে মানতে চাইছেন না।

বিশেষ করে কয়েক মাস আগেই মোহনবাগানের অন্দরে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্ত এবং সচিব সৃঞ্জয় বসুর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে সৃঞ্জয়ের পাশে ছিলেন কুণাল ঘোষ। অন্য দিকে দেবাশিসের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সৌমিক বসু। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল প্রয়াত টুটু বসুকেও।

শুধু ক্লাবের অন্দরেই নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় সদস্যদের নিয়ে সভা-পাল্টা সভাও শুরু হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হয়নি। ময়দানের অন্দরে তখন থেকেই আলোচনা ছিল, রাজনৈতিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল।

এখন পরিস্থিতি বদলেছে। রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রের মতো ক্রীড়া সংগঠনগুলিতেও তার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে। সেই আবহেই কুণালের এই পদত্যাগ নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

যদিও কুণাল এখনও স্পষ্ট করে কোনও রাজনৈতিক কারণের কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ক্লাবের সঙ্গে আগের মতোই আবেগের সম্পর্ক বজায় রাখবেন। কিন্তু ময়দানের অন্দরমহলে প্রশ্ন উঠছেই— এই ইস্তফা কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তা?

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *