কিশোর ভারতীতে লাল-হলুদ আবেগে ভাসল বাংলা!
East Bengal FC-র ইতিহাসে ২১ মে ২০২৬ দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে রইল। ২২ বছর পর জাতীয় স্তরের ট্রফি জয়ের আনন্দে কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম কার্যত লাল-হলুদ সমর্থকদের দখলে চলে গেল। মাঠে, গ্যালারিতে, স্টেডিয়ামের বাইরে— সর্বত্র শুধু উন্মাদনা আর আবেগ।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ফুটবলারদের আবেগ যেন বাঁধ মানেনি। কেউ ঘাসে শুয়ে পড়েছেন, কেউ সতীর্থকে জড়িয়ে কেঁদেছেন। Oscar Bruzon অবশ্য নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন। কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে কিছু ক্ষণ মাঠের দিকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে প্রতিপক্ষ কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে হাত মেলান। যদিও পরে সমর্থকদের উল্লাস থেকে তিনিও রেহাই পাননি।
গ্যালারিতে মশাল জ্বলে ওঠে। সমর্থকেরা ফেন্সিং টপকে মাঠে ঢুকে পড়েন। মুহূর্তে ফুটবলারদের ঘিরে ধরে উল্লাস শুরু হয়। Miguel Figueira-কে কাঁধে তুলে নাচতে থাকেন সমর্থকেরা। Youssef Ezzejjari, Bipin Singh, Mohammed Rashid— প্রত্যেকেই সমর্থকদের আবেগে ভেসে যান।
সমর্থকদের ভিড়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে নির্ধারিত সময়ে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা পরে গ্যালারির সামনে বিকল্প জায়গায় ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। Kalyan Chaubey ট্রফি তুলে দেন রশিদের হাতে। আর সেই মুহূর্তে আবার বিস্ফোরিত হয় উল্লাস।
চ্যাম্পিয়নদের জন্য বিশেষ জার্সিও পরে ফেলেছিলেন ফুটবলাররা। জার্সিতে লেখা ছিল— “ছিলাম, আছি, থাকব” এবং “Champions”।
এ দিনের আবেগঘন জয় শুধু ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের নয়, গোটা বাংলা ফুটবলের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকল। Mohun Bagan Super Giant-ও সমান পয়েন্টে শেষ করেও গোলপার্থক্যে পিছিয়ে রানার্স হয়। ফলে বাংলার দুই প্রধানই এ দিন ভারতীয় ফুটবলের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।
Suvendu Adhikari সমাজমাধ্যমে ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, বাংলার ফুটবল ঐতিহ্য নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে মোহনবাগানের লড়াইকেও কুর্নিশ জানান তিনি।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা