ডুরান্ড ফাইনালে ঝড় ইস্টবেঙ্গলের!
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে শুরুতেই যেন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের রক্ষণকে কার্যত ছন্নছাড়া করে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে এগিয়ে গেল লাল-হলুদ।
ম্যাচের শুরুতে দুই দলই বল দখলের লড়াইয়ে থাকলেও খুব দ্রুত ছবিটা বদলে যায়। মোহনবাগানের রক্ষণে একের পর এক ফাঁক তৈরি হতে থাকে এবং সেই সুযোগ কাজে লাগাতে একেবারেই ভুল করেনি ইস্টবেঙ্গল।
শুভাশিসের ভুলে প্রথম ধাক্কা
১৫ মিনিটের কাছাকাছি সময়েই প্রথম গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। মহম্মদ রশিদের পাস থেকে গোল করেন বিপিন সিংহ। তাঁকে ঠিকমতো নজরে রাখতে পারেননি মোহনবাগানের রক্ষণভাগের শুভাশিস বসু। ফলে বিশাল কাইথের সামনে কার্যত একা হয়ে যান বিপিন এবং গোল আটকানোর সুযোগ পাননি মোহনবাগানের গোলরক্ষক।
প্রথম গোলের ধাক্কা সামলানোর আগেই ফের বিপদ। মাত্র দু’মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় গোল করে ইস্টবেঙ্গল। বাঁ দিক থেকে এডমুন্ড লালরিনডিকার নেওয়া শটে রাহুল ভেকের পায়ে বল লেগে দিক পরিবর্তন করে। ফলে বলের নাগাল পাননি বিশাল কাইথ। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।
২০ মিনিটেই তৃতীয় গোল
এর পরেও মোহনবাগানের রক্ষণে কোনও সংগঠন দেখা যায়নি। শুভাশিস, ভেকে এবং আলবের্তো রদ্রিগেজ়ের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেই সুযোগেই ফের আক্রমণ গড়ে তোলে ইস্টবেঙ্গল।
২০ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোল এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজম করে ম্যাচে প্রবল চাপে পড়ে যায় মোহনবাগান।
বৃষ্টিও বাড়াচ্ছে বাগানের সমস্যা
এর মধ্যেই যুবভারতীতে শুরু হয় জোর বৃষ্টি। ভেজা মাঠে দ্রুত পাসিং ফুটবল খেলা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে তিন গোলের ঘাটতি মেটাতে মোহনবাগানকে সেটপিসের উপরও নির্ভর করতে হচ্ছে।
২৩ মিনিটের দিকে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিক পায় মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসোর শটও ভাল ছিল। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল দুর্দান্ত সেভ করে সেই সুযোগ নষ্ট করে দেন।
ডার্বির শুরুতেই একপেশে ছবি
২০২৩ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে ট্রফি তুলেছিল মোহনবাগান। তিন বছর পর ফের ডুরান্ডের ফাইনালে ডার্বি, আর এবার শুরুতেই সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি।
২০ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ম্যাচে ফিরে আসা। অন্য দিকে দুর্দান্ত শুরু পাওয়া ইস্টবেঙ্গল চাইবে এই চাপ আরও বাড়িয়ে ফাইনালের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।