১২ গোলের ঝড় লাল-হলুদের!!
মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যেন গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের রাজশাহী স্টার্সকে ৪-০ গোলে হারানোর পর এ বার গুয়ামের রোভার্স এফসিকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দিল লাল-হলুদ। দুই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৬।
এই জয় শুধু বড় ব্যবধানের জয় নয়, ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের জন্যও ঐতিহাসিক। পুরুষ-মহিলা মিলিয়ে এশিয়ার কোনও প্রতিযোগিতায় ভারতীয় ক্লাবের সবচেয়ে বড় জয় এখন ইস্টবেঙ্গলের মেয়েদের দখলে।
শুরু থেকেই গোলের ঝড়
রোভার্স এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের মাত্র ছ’মিনিটেই ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন প্রিয়াঙ্কা দেবী নাওরেম। আট মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান অষ্টম ওরাঁও। ২২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৩-০ করেন প্রিয়াঙ্কা।
প্রথমার্ধে আরও গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ৩-০ ব্যবধানেই বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।
দ্বিতীয়ার্ধে রীতিমতো গোলবন্যা
বিরতির পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদের আক্রমণ। অলিভিয়া আনোকে মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দু’টি গোল করেন। পাশাপাশি গোল করেন আবিগেল আন্তোনেই, সুলঞ্জনা রাউল এবং সিল্কি দেবী।
এর পর আবিনা আনোমা ওপোকু মাত্র ছ’মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে দলের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন। ৭৩ মিনিটে ১১তম গোলটি করেন অঞ্জু চানু কাইনপাইবাম। আর সংযুক্তি সময়ের তৃতীয় মিনিটে সৌম্যা গুগুলথের গোলে ১২-০ সম্পূর্ণ হয়।
ভেঙে গেল ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দলের নজির
এই জয় আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এর আগে এশিয়ার কোনও প্রতিযোগিতায় ভারতীয় ক্লাবের সবচেয়ে বড় জয় ছিল ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দলের।
১৯৮৫-৮৬ মরসুমের এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে মলদ্বীপের ভ্যালেন্সিয়াকে ৯-০ গোলে হারিয়েছিল লাল-হলুদ। ৪১ বছর পর সেই নজির ভেঙে দিল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল।
দুই ম্যাচে ১৬ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পরের পর্বে যাওয়ার দাবিও জোরালো করেছে ইস্টবেঙ্গল। পরের ম্যাচে সাবাহ এফসির বিরুদ্ধে লড়াই—সেই ম্যাচই ঠিক করবে গ্রুপের শীর্ষে থেকে পরের পর্বে যেতে পারবে কি না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।