পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস বাংলাদেশের, বিতর্কে শাহিনের বল বিকৃতির অভিযোগ

পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস বাংলাদেশের! মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। শুধু সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়েই নয়, দেশের মাটিতে প্রথম বার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল নাজমুল…

May 13, 2026
1 min read

পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস বাংলাদেশের!

মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। শুধু সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়েই নয়, দেশের মাটিতে প্রথম বার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর ফলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টানা তিনটি টেস্ট জয়ের নজিরও গড়ে ফেলল বাংলাদেশ।

এই হারের পরে আরও চাপে পড়েছে শান মাসুদের পাকিস্তান। তার উপর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ঘিরে। ম্যাচ চলাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে, যা পাকিস্তানের হারের লজ্জা আরও বাড়িয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে তারা তোলে ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ডিক্লেয়ার ঘোষণা করেন অধিনায়ক নাজমুল। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান।

কিন্তু শেষ ইনিংসে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত ভেঙে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ১৬৩ রানেই শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক নাহিদ রানা। টেস্ট কেরিয়ারের সেরা বোলিং করে ৪০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। তাঁর গতি ও ধারালো বোলিংয়ে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার সম্পূর্ণ চাপে পড়ে যায়।

পঞ্চম দিনের শুরুতে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৫২। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ধৈর্য ধরে ইনিংস গড়ে ৮৭ রান করেন। মুশফিকুর রহিম করেন ২২। পরে মেহদি হাসানের দ্রুত ২৪ রান বাংলাদেশের রান আরও বাড়িয়ে দেয়। পাকিস্তানের বোলারদের কাউকেই সে ভাবে ভয়ঙ্কর মনে হয়নি।

তবে ম্যাচের মাঝেই নজর কেড়েছে শাহিন আফ্রিদির আচরণ। বাংলাদেশের এক ব্যাটারের শট পা দিয়ে থামানোর পরে বলটি জুতোর স্পাইক দিয়ে ঘষতে দেখা যায় তাঁকে। অভিযোগ, তিনি বলের আকার বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন। বিষয়টি আম্পায়ারদের নজরে পড়ে। পরে তাঁরা বল পরীক্ষা করে বদলে দেন। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই পরিষ্কার, বলের অবস্থায় পরিবর্তন হয়েছিল।

পাকিস্তানের রান তাড়ায় শুরু থেকেই ধাক্কা লাগে। ওপেনার আজ়ান আওয়াইস ও ইমাম উল হক দ্রুত ফিরে যান। অধিনায়ক শান মাসুদ মাত্র ২ রান করেন। রিজ়ওয়ান, সাউদ শাকিলরাও ব্যর্থ। একমাত্র আবদুল্লা ফয়জ়ল ৬৬ রান করে কিছুটা লড়াই করেন। সলমন আঘা করেন ২৬। কিন্তু বাকিরা বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।

নাহিদের পাশাপাশি তাসকিন আহমেদ, তাইজুল ইসলাম ও মেহদি হাসান মিরাজ়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তাসকিন ২ উইকেট, তাইজুল ২ উইকেট এবং মিরাজ় ১ উইকেট তুলে পাকিস্তানের ব্যাটিং ভেঙে দেন।

এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল বাংলাদেশের। অন্য দিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট আবারও প্রশ্নের মুখে— পারফরম্যান্সে ব্যর্থতা তো রয়েছেই, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বল বিকৃতির মতো গুরুতর অভিযোগও।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *