ফলতা ঘিরে নতুন লড়াই, বিধায়ক সংখ্যা ২০৮ করার লক্ষ্যেই তৎপর বিজেপি

বিধায়ক সংখ্যা ২০৮ করার লক্ষ্যেই তৎপর বিজেপি! রাজ্যে বিপুল জয়ের পরেও থেমে নেই বিজেপি। এ বার তাদের লক্ষ্য একটাই— বিধায়ক সংখ্যা ২০৮-এ পৌঁছে দেওয়া। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ফলতা বিধানসভা…

May 13, 2026
1 min read

বিধায়ক সংখ্যা ২০৮ করার লক্ষ্যেই তৎপর বিজেপি!

রাজ্যে বিপুল জয়ের পরেও থেমে নেই বিজেপি। এ বার তাদের লক্ষ্য একটাই— বিধায়ক সংখ্যা ২০৮-এ পৌঁছে দেওয়া। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে তৎপরতা আরও বাড়াল দল। মঙ্গলবার দিনভর ব্যস্ত কর্মসূচি সামলে সন্ধ্যায় বিধাননগরের বিজেপি পার্টি অফিসে দীর্ঘ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari।

বিজেপি সূত্রের দাবি, আসন্ন ফলতা বিধানসভা নির্বাচনই ছিল এই বৈঠকের মূল বিষয়। ভোটের প্রস্তুতি, সংগঠনের কৌশল এবং বুথভিত্তিক পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সেখানে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সংগঠক।

গত ৪ মে রাজ্যের ২৯৩টি আসনের ফল ঘোষণা হয়েছিল। সেখানে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পায়। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল হওয়ায় এখনও একটি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ বাকি। আগামী ২১ মে সেখানে পুনর্নির্বাচন হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে। তাই এই একটি আসন জিতেই বিধায়ক সংখ্যা ২০৮-এ পৌঁছতে চাইছে বিজেপি।

মঙ্গলবারের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক Soumitra Khan, জ্যোতির্ময় মাহাতো, শশী অগ্নিহোত্রী-সহ একাধিক নেতা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, হাওড়া উত্তরের বিধায়ক উমেশ রাই এবং ইংরেজবাজারের বিধায়ক অম্লান ভাদুড়ি।

দিনভর শুভেন্দুর কর্মসূচিও ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত। সকালে তিনি উপস্থিত ছিলেন Himanta Biswa Sarma-র শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, যা অনুষ্ঠিত হয় গুয়াহাটিতে। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে তিনি যোগ দেন বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার হিসেবে Tapas Roy-এর শপথ অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি নতুন সরকার গঠনের পর একাধিক প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে হয়েছে তাঁকে।

বর্তমানে রাজ্যে মন্ত্রিসভা পুরোপুরি গঠিত হয়নি। মাত্র কয়েকজন মন্ত্রী দফতর পেয়েছেন, ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে। সেই ব্যস্ততার মধ্যেও ফলতা নিয়ে আলাদা করে বৈঠক করাকে রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফলতা কেন্দ্রকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় দফার ভোটের সময় থেকেই। ভোটের দিন একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথে ‘টেপ’ লাগানোর অভিযোগ সামনে আসে। বিরোধীরা পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলে।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে। তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

এখন সেই নির্বাচনই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। বিজেপির কাছে এটি শুধু একটি আসনের লড়াই নয়, বরং “২০৮”-এর প্রতীকী লক্ষ্যে পৌঁছনোর পরীক্ষাও।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *