ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের রাত!
পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। তারই মধ্যে গভীর রাতে একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, Iran থেকে United Arab Emirates-কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
তবে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে আমিরশাহি প্রশাসন।
কী ঘটেছিল সেই রাতে?
সোমবার গভীর রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আকাশে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং বেশির ভাগ হামলাই মাঝআকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়।
কেন বন্ধ করা হল আকাশসীমা?
আমিরশাহির অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি ছিল সম্পূর্ণ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।
- যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এড়ানো
- প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে কাজ করতে দেওয়া
এই সব কারণেই সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর আবার উড়ান পরিষেবা চালু করা হয়।
দুবাইয়ের কাছেও হামলার অভিযোগ
এর আগেও সোমবার ভোরে Dubai-এর বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছিল।
জানা গিয়েছে, একটি জ্বালানি ট্যাঙ্ক লক্ষ্য করে ড্রোন ছোড়া হয়েছিল, যার ফলে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনার পরই দুবাই বিমানবন্দর থেকে সাময়িকভাবে সব উড়ান বন্ধ রাখা হয়।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর?
এই ঘটনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— কী ভাবে এত বড় হামলা ঠেকানো সম্ভব হল?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উন্নত air defense system দ্রুত শনাক্ত করে আকাশেই অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেয়।
ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জ্বালানি ক্ষেত্রেও প্রভাব
শুধু বিমান চলাচলই নয়, এই হামলার প্রভাব পড়েছে জ্বালানি ক্ষেত্রেও। Shah Gas Field-এ সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
ড্রোন হামলার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে কোনও বড় দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
বড় ছবিটা কী বলছে?
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে Iran এবং মার্কিন ঘনিষ্ঠ দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে এই ধরনের হামলা পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বারবার আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবাও প্রভাবিত হচ্ছে।
শেষ কথা
এই ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও, পরিস্থিতির গুরুত্ব কম নয়।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দ্রুত পদক্ষেপে আপাতত বিপদ কাটলেও, পশ্চিম এশিয়ায় যে অস্থিরতা বাড়ছে, তা স্পষ্ট। ভবিষ্যতে এই ধরনের হামলা ঠেকাতে আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ধীরে ধীরে কমান চিনির অভ্যাস: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর কয়েকটি সহজ উপায়