হগ স্ট্রিটে জমায়েত!
মঙ্গলবার বিকেলে আচমকাই থমকে গেল কলকাতা-র ব্যস্ততম অংশগুলির একটি। অফিস ছুটির সময়েই মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় তৈরি হয় তীব্র যানজট, যার জেরে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার নিত্যযাত্রী।
🚦 কোথায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হগ স্ট্রিটে একটি জমায়েতের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায়।
সবচেয়ে ভয়াবহ যানজট দেখা যায় এসএন ব্যানার্জি রোডে। সেখানে গাড়ি কার্যত থেমে থেমে চলছিল।
বিশেষ করে
- শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা-গামী রাস্তা
- ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহমুখী পথ
এই দুই দিকেই দীর্ঘ সময় ধরে যানবাহন আটকে ছিল।
😓 যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে
বিকেলের ব্যস্ত সময়ে স্কুল, কলেজ এবং অফিস ছুটির ভিড় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে থাকতে হয়।
অনেকে বাধ্য হয়ে গাড়ি ছেড়ে বিকল্প পথ বেছে নেন। বিশেষ করে বহু মানুষ যানজট এড়াতে ধর্মতলা থেকে মেট্রো ধরার সিদ্ধান্ত নেন।
এক নিত্যযাত্রীর কথায়, “সাধারণত এই রাস্তায় চাপ থাকে, কিন্তু মঙ্গলবার যে অবস্থা হয়েছিল, তাতে কোথাও নড়ার জায়গা ছিল না।”
🚗 কেন এত জট?
পুলিশ জানিয়েছে, হগ স্ট্রিটে হওয়া জমায়েতের কারণে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ফলে মূল রাস্তায় গাড়ির চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়।
উল্লেখ্য, সপ্তাহের কাজের দিনগুলোতে এসএন ব্যানার্জি রোড এমনিতেই শহরের অন্যতম ব্যস্ত রাস্তা। সেখানে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই দ্রুত যানজট তৈরি হয়। মঙ্গলবার জমায়েতের কারণে সেই চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
🧭 শহরের চেনা সমস্যা
কলকাতায় মাঝেমধ্যেই এমন যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক অঞ্চলে। বড় জমায়েত, মিছিল বা হঠাৎ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ— যেকোনো কারণেই দ্রুত প্রভাব পড়ে শহরের যাতায়াত ব্যবস্থায়।
✔️ শেষ কথা
মঙ্গলবারের অভিজ্ঞতা আবার মনে করিয়ে দিল, ব্যস্ত সময়ের কলকাতায় সামান্য ট্রাফিক বিঘ্নও কীভাবে বড় দুর্ভোগে পরিণত হতে পারে।
নিত্যযাত্রীদের আশা— ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি সামলাতে আরও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নেওয়া হবে, যাতে শহরের ছন্দ আর এভাবে থমকে না যায়।
প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই