এক বছরের দাম্পত্যে অপূর্ণ ইচ্ছের কথা অকপটে শ্বেতা!
আগামী ১৯ জানুয়ারি বিয়ের এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে শ্বেতা ভট্টাচার্য-র। নতুন সংসার, নতুন সম্পর্ক— সবটাই উপভোগ করছেন তিনি। তবু মনের কোণে হালকা একটা আক্ষেপ যে রয়ে গিয়েছে, তা লুকোলেন না অভিনেত্রী। কারণ, বিয়ের এতদিন পরেও এখনও পর্যন্ত মধুচন্দ্রিমায় যাওয়া হয়নি তাঁদের।
প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে শেষ হয়েছে শ্বেতা অভিনীত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে। তার পর থেকে আপাতত কাজ থেকে বিরতিতে রয়েছেন তিনি। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, ছুটির সময়টা নিশ্চিন্তেই কাটছে। কিন্তু বাস্তবে ছবিটা একটু আলাদা। শ্বেতার ছুটি থাকলেও স্বামী রুবেল দাস ব্যস্ত তাঁর ধারাবাহিকের শুটিং নিয়ে। ফলে দু’জনের একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ খুবই কম।
শ্বেতা জানালেন, এখনই নতুন কোনও কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে চান না তিনি। “আমি চাই, দর্শকরা শ্যামলী চরিত্রটাকে একটু ভুলে যাক। নিজেকেও কিছুটা সময় দিতে চাই,” বললেন অভিনেত্রী। বেশ কিছু কাজের প্রস্তাব এলেও আপাতত নিজেকে সময় দেওয়াকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তিনি। তার উপর সম্প্রতি তাঁর মায়ের শরীরও ভাল ছিল না— সংসার ও পরিবারের দিকেও মন দিতে হচ্ছে।
এই সবের মধ্যেই উঠে এল সেই ছোট্ট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আক্ষেপের কথা। শ্বেতা বললেন, “বিয়ের প্রায় এক বছর হতে চলল, কিন্তু এখনও হানিমুনে যাওয়া হল না। এই একটাই দুঃখ।” কারণটা খুবই বাস্তব— রুবেলের শুটিংয়ের চাপ। সাধারণত রবিবারে ছুটি থাকলেও এখন টানা কাজের জন্য সেটুকুও মিলছে না।
“আমি এখন ছুটিতে আছি, কিন্তু ওর ছুটি নেই। না হলে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার বা অন্য কিছু পরিকল্পনা করা যেত। ও যদি একটু সময় পেত, তা হলে এই সময়টা আরও ভাল ভাবে উপভোগ করতে পারতাম,”— বললেন শ্বেতা। কথার মধ্যে কোনও অভিযোগ নেই, আছে শুধু হালকা মনখারাপ আর প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছে।
এখনই ধারাবাহিকে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি অভিনেত্রী। আপাতত সংসার, পরিবার আর নিজের জন্য সময়— এই তিনটিকেই গুরুত্ব দিতে চান তিনি। কাজ তো আসবেই, কিন্তু এই সময়টা আর ফিরে আসবে না— এমনটাই যেন বিশ্বাস শ্বেতার।ChatGPT
Response 2



4
ভালোবাসার মাঝেই এক চিলতে অভিমান: বিয়ের বছরে এসেও হানিমুন না হওয়ায় মনখারাপ শ্বেতার
আগামী ১৯ জানুয়ারি বিয়ের এক বছর পূর্ণ করতে চলেছেন শ্বেতা ভট্টাচার্য। নতুন সংসার, নতুন সম্পর্ক— সব মিলিয়ে জীবনটা এখন বেশ আলাদা ছন্দে চলছে তাঁর। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, ছুটির সময়, কাজের চাপ নেই, নিশ্চিন্তে সময় কাটানোর সুযোগ— কিন্তু বাস্তবে সেই সময়টাও পুরোপুরি উপভোগ করতে পারছেন না অভিনেত্রী।
সাড়ে তিন মাস আগে শেষ হয়েছে তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে। তার পর থেকেই আপাতত কাজে ফেরেননি শ্বেতা। ইচ্ছে করেই নিজেকে একটু সময় দিতে চান তিনি। শ্বেতার কথায়, দর্শক এখনও তাঁকে শ্যামলীর চরিত্রেই দেখছেন। তাই নতুন কোনও কাজ শুরু করার আগে চান, সেই স্মৃতিটা একটু ঝিমিয়ে পড়ুক।
এই অবসরটা তাই নিজের মতো করে কাটাতে চাইছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেই রয়েছে এক আক্ষেপ। স্বামী রুবেল দাস এখন ব্যস্ত নিজের ধারাবাহিকের শুটিং নিয়ে। ফলে দু’জনের ছুটি একসঙ্গে মেলানোই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্বেতা অকপটেই বললেন, “বিয়ের প্রায় এক বছর হতে চলল, এখনও আমরা হানিমুনে যেতে পারিনি। এটাই এখন সবচেয়ে বড় মনখারাপ।”
তিনি জানান, নিজে এখন ছুটিতে থাকলেও রুবেলের কাজের চাপ এতটাই যে রবিবারেও ঠিক করে ছুটি পাচ্ছেন না। “ও যদি একটু সময় পেত, তা হলে আমরা কোথাও ঘুরতে যেতে পারতাম, নতুন কোনও পরিকল্পনা করতে পারতাম। কিন্তু এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না,”— হালকা অভিমানের সুর শ্বেতার গলায়।
তবে এই আক্ষেপের মধ্যেও অভিযোগ নেই, বরং বোঝাপড়া আছে। শ্বেতা জানেন, এই পেশায় কাজের সময়টা কখনও নিজের হাতে থাকে না। তাই আপাতত সংসার, পরিবার আর নিজের যত্ন— এই তিনের মধ্যেই সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এর মধ্যেই অভিনেত্রীর মা কিছুটা অসুস্থ ছিলেন, তাঁর দিকেও আলাদা করে নজর দিতে হয়েছে।
কাজে ফেরা নিয়ে এখনই কোনও তাড়া নেই শ্বেতার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন ধারাবাহিক বা চরিত্র বেছে নেওয়ার আগে নিজেকে একটু সময়
ভিন্রাজ্যের ভোটারদের স্বস্তি: শুনানিতে হাজিরা নয়, অনলাইনেই জমা দেওয়া যাবে নথি