উর্ফীর উত্তর: “কুকর্মের ফল? আমি হেসে ফেলেছি”
কিছুদিন আগে উর্ফীর ফুলে-ঢোল হয়ে যাওয়া ঠোঁট দেখেই ধরা দিচ্ছিল নেটপাড়ার প্রতিক্রিয়া — একদিকে শোরগোল, অন্যদিকে তীব্র কটাক্ষ। অনেকেই ব্যঙ্গচিত্র বানিয়ে দিলেন, কেউ বললেন ঈশ্বর তাঁর শাস্তি দিচ্ছেন, কেউ আবার নানা রকম কটাক্ষ ছুঁড়লেন। এসব খবরে উর্ফী চুপ করেননি — নিজের ভাষায়, নিজের ছবি খোলাসা করে তিনি পুরো যাত্রাটা শেয়ার করেছেন।
তিনি জানালেন, প্রথমে ঠোঁট ভরাতে তিনি ফিলার ও বোটক্স পরীক্ষা করেছেন — খোলামেলা ভেবেছেন সেটা নিয়ে। পরে ঠিক করেন ফিলারগুলো সরিয়ে নেবেন যাতে ঠোঁটের প্রাকৃতিক রূপ ফিরিয়ে আনা যায়। তবে ফিলার সরানোর পদ্ধতিটা যে এত কষ্টদায়ক হবে, তা তিনি প্রত্যাশা করেননি। চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু সমস্যা হয়েছিল, আর তা থেকেই ওই সময়কার ফুলে থাকা চেহারা তৈরী হয়।
উর্ফীর পোস্টগুলোতে দেখা যায় — ধীরে ধীরে সেই ফুলে থাকা ঠোঁট কমছে, মুখের আকৃতি স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “এটাই ছিল আমার সারিয়ে ওঠার পথ। অনেকে আমাকে নানা কথা বলেছে, ব্যঙ্গচিত্রও হয়েছে — কিন্তু এসব দেখে আমি হাসেছি।” কটাক্ষ শুনে তিনি বিরক্ত না হয়ে বরং নিজের অভিজ্ঞতা খুলে বলার পথ বেছে নিয়েছেন, যাতে অন্যরাও সচেতন হয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে দ্রুত কোনো কার্যক্রম না করার শিক্ষাও তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন। ফিলার সরানোর পদ্ধতিতে যে যন্ত্রণাটা ছিল, তিনি সেটাও অন্যদের জানিয়ে দিয়েছেন। এভাবে নিজের ভুল-ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উধাও করে না, বরং সতর্ক করে দিয়ে যাচ্ছেন—“ভবিষ্যতে ফিলার নেব, কিন্তু আর সূঁচের মাধ্যমে নয়” — এমনই টোন আছে তাঁর কথায়।
আরও জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার না করে ঠোঁট ভরাট করার একটি বিকল্প পদ্ধতি তিনি পেয়ে গিয়েছেন। সেটি তিনি শীঘ্রই সামনে আনবেন বলেও জানান—সেই কৌশল কি, কবে শেয়ার করবেন, তা এখনও ভক্তদের জন্য অপেক্ষার বিষয়ে রাখলেন।
উর্ফীর বার্তা স্পষ্ট — শরীর এবং রূপ পরিবর্তন নিয়ে সবারই মত থাকতে পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও আরোগ্যের গল্পও আছে। ট্রোলিং-এ থেমে না থেকে নিজের চিকিৎসা-আত্মকথা তুলে ধরা, এবং অন্যদেরও সচেতন করা — সেটাই এই কাহিনির মূল কথা।
ওড়িশায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি, ১৩৯৬ কোটির প্রতারণা মামলায় উদ্ধার কোটি টাকার সম্পদ