“সময় শেষ হয়ে আসছে…”: বাংলা ভাষা বিতর্কে সরব হয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন রূপাঞ্জনা মিত্র

বাংলা ভাষা বিতর্কে সরব হয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন রূপাঞ্জনা মিত্র! বাংলা ভাষাকে ঘিরে চলমান বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র। একসময় বিজেপির ঘনিষ্ঠ হলেও বর্তমানে ঘাসফুল শিবিরে থাকা এই অভিনেত্রী…

August 5, 2025
1 min read

বাংলা ভাষা বিতর্কে সরব হয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন রূপাঞ্জনা মিত্র!

বাংলা ভাষাকে ঘিরে চলমান বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র। একসময় বিজেপির ঘনিষ্ঠ হলেও বর্তমানে ঘাসফুল শিবিরে থাকা এই অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—বাংলা ভাষা বা বাংলার মানুষের সম্মান নিয়ে আপস করবেন না।

সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের একটি ঘটনায় নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়। অভিযোগ, এক অভিযুক্তের ভাষাকে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। অনেকেই ক্ষুব্ধ, কেন বাংলা ভাষাকে জাতীয় পরিচয়ের বদলে বিদেশি বলে অভিহিত করা হচ্ছে। বিতর্কে ঘৃতাহুতি পড়ে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর বক্তব্যে। তিনি দাবি করেন, দিল্লি পুলিশের বক্তব্যের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী—পশ্চিমবঙ্গের মানুষ নয়।

তবে এর চেয়েও বেশি বিতর্ক তৈরি হয় যখন তিনি বলেন, ‘‘বাংলা বলে কোনও একক ভাষা নেই যা সব রূপভেদকে ধারণ করতে পারে।’’ তাঁর ইঙ্গিত ছিল সিলেটি, চট্টগ্রামি, বা অন্যান্য উপভাষাগুলোর দিকে। তাঁর এই মন্তব্যে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র সেই ক্ষোভকেই যেন গলা দিয়ে প্রকাশ করলেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন,
“ঘুরিয়ে গালে মানুষ যখন চটি মারবে তখন বুঝবেন, বাংলা ভাষা আর বাংলার মানুষদের আক্রমণ করলে তার ফল কী হয়! আর ‘চটিচাটা’, ‘পিসি-ভাইপো’ এসব শব্দ যাঁরা আমদানি করেছেন, তাঁদের জানিয়ে রাখি—আপনাদের সময় শেষ হয়ে আসছে… আপনাদের মুখের ভাষার জন্য।”

এই বক্তব্যে রূপাঞ্জনা স্পষ্ট করে দেন যে, বাংলা ভাষাকে অপমান বা উপহাসের চোখে দেখলে তা বরদাস্ত করা হবে না।

এক সময় তিনি বিজেপির সমর্থক ছিলেন। বিশেষ করে রাজ্যে জি কর হাসপাতাল আন্দোলনের সময় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেন। তবে চলতি বছরের ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের মঞ্চে তাঁকে দেখা যায়, এবং সেখানেই তিনি বলেন—“এটাই আমার ঘরওয়াপসি।”

বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর আবেগ নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবার তাঁর কণ্ঠে স্পষ্ট রাগ, অভিমান আর প্রতিবাদ মিলেছে। রূপাঞ্জনার এই হুঁশিয়ারি কেবল রাজনৈতিক অবস্থান নয়, ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার এক প্রগাঢ় বার্তা বলেই মনে করছেন অনেকেই।

প্রোটিন খেয়ে মেদ ঝরাতে গিয়ে বেড়ে যেতে পারে ওজন, কোন ভুলে এমন হতে পারে?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *