লিডসে লড়াইয়ের ময়দান: পন্থ-রাহুলের শতরানেও জয়ের পথ কাঁটায় ভরা! ভরসা একমাত্র বুমরাহই

লিডসে লড়াইয়ের ময়দান: পন্থ-রাহুলের শতরানেও জয়ের পথ কাঁটায় ভরা! ভরসা একমাত্র বুমরাহই লিডসের মেঘলা আকাশ আর ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু মানিয়ে নেওয়া আর ম্যাচ…

June 24, 2025
1 min read

লিডসে লড়াইয়ের ময়দান: পন্থ-রাহুলের শতরানেও জয়ের পথ কাঁটায় ভরা! ভরসা একমাত্র বুমরাহই

লিডসের মেঘলা আকাশ আর ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু মানিয়ে নেওয়া আর ম্যাচ জেতা এক জিনিস নয়— সেটা আরও একবার প্রমাণ করল লিডস টেস্ট। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ-পাঁচটি শতরান করেও ইংল্যান্ডের সামনে ভারত রাখতে পারল না অনতিক্রম্য লক্ষ্য। ম্যাচ জিততে এখনও অবধি ভারতের ভরসা হয়ে রইলেন একমাত্র জসপ্রীত বুমরাহ।

ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হল ৩৬৪ রানে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬ রানে এগিয়ে থাকার ফলে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭১। ‘বাজবলের’ যুগে ১০০ ওভারে এই লক্ষ্য একেবারেই অযৌক্তিক নয়। টেস্টের পঞ্চম দিন সকালে তাই ভারতের জয়ের জন্য দরকার ১০ উইকেট, ইংল্যান্ডের চাই আরও ৩৫০ রান।

পন্থের কামব্যাক গল্প

যেখানে প্রশ্ন উঠছিল তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে, সেখান থেকেই ফিরে এলেন ঋষভ পন্থ। জীবনের কঠিন লড়াই জয় করে মাঠে ফিরে দুই ইনিংসে শতরান— প্রথমে ১৩৪, পরে ১১৮। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর ইনিংস ছিল আরও পরিণত, আরও সংযত। ৯০ রানের পর ১০০ ছুঁতে সময় নিয়েছেন ২৬ বল— যা তাঁর আগের ছাঁচ নয়, কিন্তু প্রমাণ করে পন্থ এখন আরও ম্যাচ সচেতন। যদিও শতরান পেরিয়েই অযথা আগ্রাসনে আউট হয়ে তাঁর ইনিংস থেমে যায়।

রাহুলের ধৈর্যশীল ইনিংস

পন্থের আগ্রাসনের বিপরীতে রাহুল ছিলেন শান্ত, ধীর, ধৈর্যশীল। ২৪৭ বলে ১৩৭ রানের ইনিংসে বার বার প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে ‘অভিজ্ঞ ব্যাটার’ বলা হয়। ওপেন করতে নেমে টেনেছেন ৮৫তম ওভার পর্যন্ত। তাঁকে সঙ্গে পেয়েছিলেন পন্থ— চতুর্থ উইকেটে ১৯৫ রানের জুটি।

কিন্তু সমস্যা পুরনো লেজেই!

প্রথম পাঁচ ব্যাটারে দুই ইনিংসে ভারতের রান ৭২১। শেষ ছ’জন করেছেন মাত্র ৬৫ রান। ইংল্যান্ডের টেলএন্ডাররাও যেখানে লড়াই চালিয়ে প্রথম ইনিংসে ৭২ রান যোগ করেছে, সেখানে ভারতের শেষদিকের ব্যাটিং যেন আত্মসমর্পণের নামান্তর।

শার্দূল ঠাকুর বা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ— কেউই বোলিং কিংবা ব্যাটিংয়ে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নীতীশ রেড্ডিকে বসিয়ে রেখে শার্দূলকে খেলানো— এই সিদ্ধান্ত ঘিরেও প্রশ্ন উঠছে। শুভমনের অধিনায়কত্বেও উঠে আসছে একই রকম সন্দেহের রেখা।

বুমরাহই একমাত্র আশা

যেখানে বাকি পেসাররা রান দিচ্ছেন, সেখানে বুমরাহই একমাত্র আগুন জ্বালিয়েছেন। ম্যাচ জিততে হলে ইংল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে লাগাতার চাপ তৈরি করতে হবে, আর সেটা সম্ভব একমাত্র বুমরাহর হাত ধরেই।

উপসংহার

শতরানের রোশনাই, দুর্দান্ত পারফরম্যান্স— সবকিছু থাকা সত্ত্বেও ভারতের জয় এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ ক্রিকেট শুধু ব্যাটে-বলে নয়, ভারসাম্য আর পরিকল্পনার খেলাও। বুমরাহ একা কতদূর টানবেন? উত্তর মিলবে শেষ দিনে।

৩৫ হাজার ফুটে ও আরামেই ভেসে থাকুন! দীর্ঘ উড়ানে আরাম পাওয়ার ৭টি সহজ টিপস

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *