টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির
টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি গুগ্লের গুরগাঁও ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ‘গুগ্ল এডুকেশন লিডারশিপ সামিট’-এ অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তাদের ‘স্কুল অফ দ্য ফিউচার’-এর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা তাঁদের উদ্ভাবনী অ্যাপগুলো প্রদর্শন করে। এই অ্যাপগুলো সম্পূর্ণরূপে গুগ্লের টুল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং ৬৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে ১০ জনকে এই সম্মানজনক প্রদর্শনীতে অংশ নিতে নির্বাচিত করা হয়।
২১ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর পর, শিক্ষার্থীরা তাঁদের তৈরি অ্যাপগুলো গুগ্লের বিশেষজ্ঞদের সামনে উপস্থাপন করে, যা তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারার প্রমাণ। টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি এই অর্জনে গর্বিত, কারণ এটি তাদের শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। গুগ্ল ক্লাউড কেস স্টাডিতে সম্প্রতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের প্রশংসা করা হয়েছে, যেখানে দেখানো হয়েছে কীভাবে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি ১৫,০০০ শিক্ষার্থীকে মাত্র ২০ দিনের মধ্যে গুগ্ল ইকোসিস্টেমে যোগদান করিয়েছে।
গুরগাঁও ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘ফায়ারসাইড চ্যাট’-এ উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের চিফ ইনোভেশন অফিসার মেঘদূত রায়চৌধুরী, গুগ্লের ভারতে ওয়ার্কস্পেস ও সার্কের প্রধান কপিল কপূর এবং ইয়েনেপোয়া ইউনিভার্সিটির সিআইও রাজেশ কারক। তাঁরা উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যত, প্রযুক্তি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য গুগ্লের টুলসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।
মেঘদূত রায়চৌধুরী এই উদ্ভাবনী উদ্যোগে গর্বিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা জাগানোর কথা বলেন, যা তাদের ভবিষ্যতে আরও সফল হতে উৎসাহিত করবে। কপিল কপূর এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যা শিক্ষার্থীদের আরও অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করেছে।
এছাড়া, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি শিক্ষা ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক সুযোগ প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা অর্জন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ধরনের উদ্যোগগুলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও অনেক বড় সাফল্য অর্জন করবে, এই বিশ্বাস রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ।
এটি শুধু টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির জন্য নয়, ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার জন্যও একটি বড় মাইলফলক। গুগ্ল ইকোসিস্টেমে সাফল্যের পথে এই ধরনের উদ্যোগ আরও বেশি শিক্ষার্থীর মনে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ এবং এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।