গুলবীরের পদক-হ্যাটট্রিকে ফিরল উষার স্মৃতি!
নাগোয়া এশিয়ান গেমসে অ্যাথলেটিক্সে প্রথম সোনা এল ভারতের ঘরে। মহিলাদের ৪x৪০০ মিটার রিলেতে দুরন্ত দৌড়ে সোনা জিতল ভারতীয় দল। একই দিনে পুরুষদের ৪x৪০০ মিটার এবং মিক্সড ৪x১০০ মিটার রিলেতে ব্রোঞ্জ এসেছে। আর পুরুষদের ৫০০০ মিটারে ব্রোঞ্জ জিতে বিশেষ নজির গড়েছেন গুলবীর সিংহ।
মেয়েদের রিলেতে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন
ফাইনালের শুরুটা ভারতের পক্ষে খুব একটা ভাল ছিল না। প্রথম ল্যাপ শেষে পিছিয়ে ছিল ভারত। কিন্তু পরের ল্যাপগুলিতে ধীরে ধীরে গতি বাড়িয়ে ব্যবধান মুছে দেন ভারতীয় দৌড়বিদেরা।
বিথ্যা রামরাজ, কিরণ পহল, মাচেত্তিরা পূভাম্মা এবং প্রাচীর দল ৩ মিনিট ২৯.৬৯ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে সোনা নিশ্চিত করে। এটাই নাগোয়া গেমসে অ্যাথলেটিক্সে ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক।
পুরুষদের রিলেতে ব্রোঞ্জ
মহিলাদের সাফল্যের পর পুরুষদের ৪x৪০০ মিটার রিলে দলকে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ধর্মবীর চৌধরী, মনু থেক্কিনিল, জয় কুমার এবং বিশাল থেনারসুর দল ৩ মিনিট ১.৬১ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তৃতীয় হয়।
হিটে ভারতীয় দল ৩ মিনিট ০.৩২ সেকেন্ড সময় করেছিল। ফাইনালে সেই গতি ধরে রাখতে না পারায় সোনা হাতছাড়া হয়।
মিক্সড রিলেতেও চমক
মিক্সড ৪x১০০ মিটার রিলেতে ভারতের পদক পাওয়াটাও ছিল উল্লেখযোগ্য। হরিতা ভদ্র, অনিমেষ কুজুর, স্নেহা সত্যনারায়ণ এবং গুরবিন্দর সিংহ ৪১.০৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে ব্রোঞ্জ জেতেন। ফাইনালে এটিই ছিল তাঁদের মরসুমের সেরা সময়।
উষার নজির ছুঁলেন গুলবীর
দিনের আরেক বড় খবর গুলবীর সিংহকে ঘিরে। পুরুষদের ৫০০০ মিটারে ১৩ মিনিট ৩২.৭৫ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে ব্রোঞ্জ জেতেন তিনি। এর আগে ১০,০০০ মিটার এবং ১৫০০ মিটারে রুপো জিতেছিলেন গুলবীর। ফলে একই এশিয়ান গেমসে তাঁর ব্যক্তিগত পদকের সংখ্যা দাঁড়াল তিন।
১৯৮৬ সালের এশিয়ান গেমসে পিটি উষাও একটি আসরে তিনটি ব্যক্তিগত পদক জিতেছিলেন। গুলবীর হলেন তাঁর পর প্রথম ভারতীয়, যিনি এক আসরে তিনটি ব্যক্তিগত অ্যাথলেটিক্স পদক পেলেন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।