১৫ বছরের অভিনয়যাত্রায় অঙ্কুশ: বন্ধুত্ব, প্রতিযোগিতা আর খলনায়কের নতুন রূপ

বন্ধুত্ব, প্রতিযোগিতা আর খলনায়কের নতুন রূপ টলিউডে ১৫ বছরের যাত্রা সম্পূর্ণ করেছেন অঙ্কুশ হাজরা। একের পর এক চরিত্র, ব্যর্থতা, সাফল্য—সব কিছুর সাক্ষী তিনি। খোলামেলা কথোপকথনে অভিনেতা জানালেন, নিজের জীবনের নানা…

September 23, 2025
1 min read

বন্ধুত্ব, প্রতিযোগিতা আর খলনায়কের নতুন রূপ

টলিউডে ১৫ বছরের যাত্রা সম্পূর্ণ করেছেন অঙ্কুশ হাজরা। একের পর এক চরিত্র, ব্যর্থতা, সাফল্য—সব কিছুর সাক্ষী তিনি। খোলামেলা কথোপকথনে অভিনেতা জানালেন, নিজের জীবনের নানা বাঁক, সম্পর্কের ওঠাপড়া, আর শিল্পী থেকে প্রযোজক হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা।

প্রশ্ন: এখন অনেক তারকাই সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন বেছে নেন। আপনার ক্ষেত্রেও কি এমন হয়?
অঙ্কুশ: না, আমার ক্ষেত্রে কোনও নিয়ম নেই। আপনি যেকোনও প্রশ্ন করতে পারেন। ১৫ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে আছি, অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। নতুনদের জন্য হয়তো এই নিয়ম থাকে। আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত।

প্রশ্ন: দেব আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানালেও বলা হয়, ভিতরে প্রতিযোগিতা প্রবল। আসলে সম্পর্ক কেমন?
অঙ্কুশ: প্রতিযোগিতা থাকবেই। সবাই ভাল শো-টাইম চাইবে। এখানে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা নেই। সবার আগে চাই বাংলা সিনেমার জয়জয়কার।

প্রশ্ন: পুজোয় আপনার ছবি ছাড়া অন্য ছবি কি দেখতে যাবেন?
অঙ্কুশ: অবশ্যই। প্রতিটি ছবিই দেখব। অনেক প্রিয় অভিনেতা, পরিচালক আছেন। তবে নিজের ছবির প্রচারের দায়িত্বও রয়েছে। চেষ্টা করব সবটুকু সামাল দিতে।

প্রশ্ন: নায়ক থেকে প্রযোজক হয়ে ওঠার পথে কী ধরনের জটিলতা এসেছে?
অঙ্কুশ: হ্যাঁ, ধাক্কা খেতে হয়েছে। অনেক সময় আমার ভাবনার সঙ্গে প্রযোজকের মত মিলত না। ফলে কিছু ছবি দর্শকের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছোয়নি। তবে নিজের বাজারদর বুঝেই প্রযোজনা সংস্থা খুলেছিলাম, স্বাধীনভাবে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই। ভুলও হয়েছে, শিখেছিও।

প্রশ্ন: আপনার কেরিয়ারে কোন চরিত্র মোড় ঘোরানো অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে?
অঙ্কুশ: ‘মুনির আলম’। খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছে ছিল বহুদিনের। নন্দিতা-শিবপ্রসাদের কাছ থেকে সেই সুযোগ পাওয়াই আসল প্রাপ্তি।

প্রশ্ন: আবীর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এই ছবি কি বন্ধুত্ব আরও বাড়াল?
অঙ্কুশ: আগে খুব কাছাকাছি থাকতাম। ছাদ থেকে ছাদে গল্প হত। তবে পর্দায় আমরা বারবার প্রতিদ্বন্দ্বী চরিত্রে অভিনয় করেছি। এবার চাই একসঙ্গে বন্ধুত্বের গল্পেও কাজ করতে।

প্রশ্ন: মিমি, নুসরত—অনেক বন্ধু সহশিল্পী রয়েছেন। কিন্তু নুসরতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শোনা যায়।
অঙ্কুশ: আমরা মানুষ, তাই আবেগও রয়েছে। কখনও বন্ধুত্ব থাকে, কখনও ভেঙে যায়। নুসরতের সঙ্গে চার-পাঁচটা ছবি করেছি। এখন আর সেই বন্ধুত্ব নেই। তবে মিমি, শুভশ্রীদের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সম্পর্কের সমীকরণ সব সময় একই থাকে না, এটাই স্বাভাবিক।

প্রশ্ন: সম্প্রতি প্রচারের মাঝেই দিল্লি যেতে হয়েছিল আপনাকে।
অঙ্কুশ: হ্যাঁ, ইডির তরফে ডাকা হয়েছিল বেটিং অ্যাপ সংক্রান্ত বিষয়ে। কিছু সাধারণ নথি জমা দিয়েছি। এর বেশি কিছু নয়।

প্রশ্ন: খলনায়ক অঙ্কুশকে দেখে ঐন্দ্রিলার প্রতিক্রিয়া কী?
অঙ্কুশ: ও খুব খুশি হয়েছে। বলেছে, আমি এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে চরিত্রটি নিয়েছি, সেটাই সবচেয়ে ভাল লেগেছে। আমার নতুন লুক দেখেও ও গর্বিত।

নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার মধ্যেই অঙ্কুশ খুঁজে পান অভিনয়ের আনন্দ। বন্ধুত্ব ভাঙুক বা গড়ে উঠুক, প্রতিযোগিতা থাকুক বা না থাকুক—তিনি এখন শুধু চান দর্শক বাংলা ছবির পাশে থাকুক।

ব্যালকনির উপর উড়ালপুল! নাগপুরের সেতু স্মরণ করাচ্ছে ভোপালের ৯০ ডিগ্রি রেলসেতুর ঘটনার কথা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *