স্মৃতি বাড়াবে, পেশির শক্তি বাড়াবে!
পুজোর আনন্দ এবং উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হলেও স্বাস্থ্য সচেতনতা অনেকের মনে আগে আসে। শহরের জিমে যেতে সময় নেই এমন ব্যস্ত জীবনে, বাড়িতেই আধ ঘণ্টা যোগাসন অভ্যাস করা সম্ভব। যোগাসনের নিয়মিত চর্চা কেবল ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না, বরং শরীরের ভারসাম্য, পেশির শক্তি এবং মানসিক চেতনাও বাড়ায়। এমনই একটি কার্যকর আসন হল একপদ প্রণমাসন।
নিয়মিত অভ্যাস করলে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে, পেশি দৃঢ় হয়, এবং মনও চাঙ্গা থাকে। বিশেষ করে পুজোর সময় এই আসন করলে শারীরিক এবং মানসিক উভয় দিকেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
কীভাবে করবেন একপদ প্রণমাসন:
১) ম্যাটের ওপর সোজা দাঁড়ান। শরীর টানটান রাখুন। হাত দুটি পাশে রাখুন।
২) ডান পা ভাঁজ করুন এবং পায়ের পাতা বাম পায়ের ঊরুর সাথে সংযুক্ত করুন। স্বাভাবিকভাবেই ডান হাঁটু বাইরে থাকবে। এটি প্রথম ধাপ।
৩) এরপর হাত কাঁধে রেখে কোমর ঘুরিয়ে ডানদিকে সামান্য ঝুঁকুন। হাঁটু ভাঙবেন না। ঘাড়, কোমর ও শিরদাঁড়া সবই টানটান রাখুন। হাত দুটো কাঁধের সমান্তরালে থাকবে।
৪) কিছুক্ষণের জন্য এই অবস্থায় দাঁড়ান। বাঁ পায়ে ভার রাখুন এবং ভারসাম্য বজায় রাখুন।
৫) দুই হাত প্রণামের ভঙ্গিতে বুকের কাছে জড়ো করুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন এবং এই ভঙ্গিতে ৩০ সেকেন্ড অবস্থান করুন।
৬) শেষে ধীরে ধীরে আগের অবস্থানে ফিরে যান।
উপকারিতা:
- একপদে দাঁড়িয়ে এই আসন করলে পায়ের পাতা, গোড়ালি ও পায়ের সমস্ত পেশি নমনীয় এবং শক্তিশালী হয়।
- শরীরের ভারসাম্য উন্নত হয়।
- রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়।
- মনের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক চাপ কমে।
- স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মনকে স্থিতিশীল রাখে।
যারা করবেন না:
- হাঁটুর অস্ত্রোপচার হয়েছে এমন ব্যক্তিদের এই আসন করা উচিত নয়।
- উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে প্রশিক্ষকের পরামর্শ ছাড়া এই আসন করা যাবে না।
পুজোর সময় বাড়িতে আধ ঘণ্টা এই আসন অভ্যাস করলে শুধু শরীরই ফিট থাকবে না, মনও সতেজ থাকবে। যোগাসনের নিয়মিত চর্চা ও পুজোর আনন্দ একসঙ্গে উপভোগ করতে চাইলে একপদ প্রণমাসন হতে পারে আপনার সেরা বন্ধু।
রাজ্যে ৭০০ ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, হাই কোর্টে তিন অভিযুক্তের জামিন খারিজ