পাকিস্তান-আমিরশাহি সম্পর্কে কি ফাটলের ইঙ্গিত?
পশ্চিম এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে হঠাৎ করেই চাঞ্চল্য। দীর্ঘ দিনের ‘বন্ধু’ United Arab Emirates কি তবে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে Pakistan থেকে? সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সেই প্রশ্নই তুলে দিচ্ছে।
সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত এসেছে ঋণ নিয়ে। বহু বছর ধরে পাকিস্তানকে দেওয়া প্রায় ৩৫০ কোটি ডলারের ঋণ নিয়মিত ‘রোলওভার’ বা নবীকরণ করত আবু ধাবি। কিন্তু এ বার হঠাৎ করেই সেই অর্থ ফেরত চেয়ে বসেছে তারা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই বড় অংশ শোধ করে ফেলেছে এবং বাকিটাও দ্রুত মেটানোর পথে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্ত নিছক আর্থিক নয়— বরং এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক বার্তা।
এই টানাপড়েনের পেছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে Saudi Arabia-র সঙ্গে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং কৌশলগত সহযোগিতা আমিরশাহির অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। উপসাগরীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে সৌদি-আমিরশাহি সম্পর্কের সূক্ষ্ম প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন কিছু নয়— আর তার প্রভাব পড়ছে ইসলামাবাদের উপরেও।
এর পাশাপাশি রয়েছে Iran-কে ঘিরে জটিলতা। সাম্প্রতিক সংঘাতে পাকিস্তানের অবস্থান কিছুটা ‘সামঞ্জস্যপূর্ণ’ বা ইরানের দিকে ঝুঁকে— এমন ধারণাও তৈরি হয়েছে। এই অবস্থান আমিরশাহির পছন্দ হয়নি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ফলে ঋণ ফেরতের দাবি যেন এক ধরনের কূটনৈতিক চাপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার এমনিতেই চাপের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় অঙ্কের ঋণ দ্রুত শোধ করতে হলে আর্থিক সঙ্কট আরও ঘনীভূত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু পুরনো ঋণ হঠাৎ ফেরত চাওয়া সাধারণ ঘটনা নয়— বরং এটি দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতিরই ইঙ্গিত।
তবে ইসলামাবাদ এই জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি স্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন, সম্পর্কের অবনতির সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল এত সহজে তা মানতে নারাজ। কারণ, একই সঙ্গে একাধিক কূটনৈতিক ইঙ্গিত মিলে একটি বড় ছবিই সামনে আনছে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। আমিরশাহিতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি শ্রমিকের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভরসা। যদি
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?