সুযোগ নষ্টের মাশুল প্রায় দিতে বসেছিল দক্ষিণ কোরিয়া!
বিশ্বকাপের মঞ্চে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করল South Korea national football team। তবে স্কোরলাইনে ২-১ ব্যবধানে জয় যতটা স্বস্তিদায়ক দেখাচ্ছে, মাঠের খেলায় ততটা নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই। Son Heung-min-দের সামনে এখনও অনেক কাজ বাকি। বিশেষ করে গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি না হলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিপাকে পড়তে হতে পারে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার পায়ে। মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফিনিশিংয়ের অভাব চোখে পড়েছে বারবার। প্রথমার্ধেই অন্তত চারটি স্পষ্ট গোলের সুযোগ নষ্ট করেন কোরীয় ফুটবলাররা। ফলে খেলার নিয়ন্ত্রণ হাতে থাকলেও গোলের খাতা খুলতে পারেনি তারা।
অন্য দিকে, Czech Republic national football team শুরু থেকেই কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল নেয়। নিজেদের অর্ধে বেশি সংখ্যক ফুটবলার রেখে প্রতি-আক্রমণের উপর নির্ভর করছিল ইউরোপের দলটি। তবে আক্রমণে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ায় তাদের স্ট্রাইকাররা বারবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছিলেন। ফলে প্রথমার্ধে খুব বেশি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি চেচিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চেহারা বদলে যায়। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর খেলায় গতি আসে এবং তিনটি গোল দেখা যায়। প্রথমে এগিয়ে গিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে চাপে ফেলে চেচিয়া। তবে পিছিয়ে পড়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মিনেরা। দ্রুত সমতা ফেরানোর পর জয়সূচক গোলও পেয়ে যায় এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল।
জয় এলেও দক্ষিণ কোরিয়ার কোচিং স্টাফ নিশ্চয়ই উদ্বিগ্ন থাকবেন সুযোগ নষ্টের প্রবণতা নিয়ে। বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এমন ভুল হয়তো সামলে নেওয়া যায়, কিন্তু নকআউট পর্বে বা শীর্ষ সারির দলের বিরুদ্ধে একই ভুলের মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।
তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। দলের ফিটনেস, গতিময়তা এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ প্রশংসার দাবি রাখে। সন হিউং-মিনের নেতৃত্বে আক্রমণভাগ নিয়মিত সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক।
বিশ্বকাপে নিজেদের আরও দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাইলে দক্ষিণ কোরিয়াকে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে ফিনিশিংয়ে। কারণ সুযোগ তৈরি করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সেই সুযোগকে গোলে পরিণত করাই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের চাবিকাঠি। ২-১ ব্যবধানে জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে এই ম্যাচ সতর্কবার্তাও দিয়ে গেল— শুধু আধিপত্য নয়, গোল করতেও জানতে হবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?