সীমান্তের টানাপোড়েন এবার ফুটবলে: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান নেই

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান নেই! খেলাধুলা সাধারণত সীমান্তের বাইরে একতার বার্তা দেয়। কিন্তু ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক টানাপোড়েন বারবার সেই ভাবনাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এবার তার প্রভাব পড়ল ফুটবলেও। আসন্ন মহিলাদের সাফ…

April 8, 2026
1 min read

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান নেই!

খেলাধুলা সাধারণত সীমান্তের বাইরে একতার বার্তা দেয়। কিন্তু ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক টানাপোড়েন বারবার সেই ভাবনাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এবার তার প্রভাব পড়ল ফুটবলেও। আসন্ন মহিলাদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে না Pakistan।

২৫ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত Goa-তে আয়োজিত হতে চলেছে SAFF Women’s Championship। এই প্রতিযোগিতায় সাধারণত দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ অংশ নেয়। তবে এবার পাকিস্তান সরে দাঁড়ানোয় ছ’টি দল নিয়েই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।

আয়োজকদের নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন কোনও নিশ্চিত বার্তা দেয়নি। ফলে ধরে নেওয়া হচ্ছে, ইসলামাবাদের তরফে অনুমতি না মেলায় দল পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। এক ফেডারেশন কর্তার কথায়, “সরকারের দিক থেকে কোনও অনুমোদন না আসায় আমরা অংশ নিতে পারছি না।”

ফলে আয়োজক India-র পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় খেলবে Bangladesh, Sri Lanka, Nepal, Bhutan এবং Maldives।

এই সিদ্ধান্ত নতুন কিছু নয়, বরং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পরিস্থিতিরই ধারাবাহিকতা। গত কয়েক বছরে ক্রিকেটে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমশ জটিল হয়েছে। Board of Control for Cricket in India পাকিস্তানে দল পাঠায়নি, আবার পাকিস্তানও ভারতে এসে খেলতে অনীহা দেখিয়েছে। শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সূচিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুধু ক্রিকেট নয়, হকিতেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান দল ভারতে আসেনি। এবার সেই প্রভাব পড়ল ফুটবলেও।

এই উত্তেজনার সূত্র আরও পুরনো। 2008 Mumbai attacks-এর পর থেকেই দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক বারবার রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে Pahalgam-এ জঙ্গি হামলা এবং তার জবাবে ভারতের সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাকি দেশগুলি নিয়ে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আয়োজকেরা। সূচিতে বড় কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না, বরং প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক ভাবেই এগোবে।

সব মিলিয়ে, খেলাধুলার মাঠে রাজনীতির প্রভাব নতুন নয়, কিন্তু প্রতিবারই তা হতাশার জন্ম দেয়। যেখানে খেলার কথা ছিল প্রতিযোগিতা আর সৌহার্দ্যের, সেখানে বারবার জায়গা নিচ্ছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন।

তবুও আশা একটাই— কোনও একদিন হয়তো আবার মাঠেই মিলবে দুই দেশের দল, আর খেলা ফিরবে তার আসল রূপে।

শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *