‘সারা শরীর কাঁপছিল’, অমরীশ পুরীর সঙ্গে প্রথম দৃশ্যের স্মৃতি ভাগ করলেন অমীষা পটেল

অমরীশ পুরীর সঙ্গে প্রথম দৃশ্যের স্মৃতি ভাগ করলেন অমীষা পটেল! ‘গদর: এক প্রেম কথা’ শুধু অমীষা পটেলের কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছবি নয়, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসেও এটি একটি স্মরণীয় অধ্যায়। ছবিটি…

June 24, 2026
1 min read

অমরীশ পুরীর সঙ্গে প্রথম দৃশ্যের স্মৃতি ভাগ করলেন অমীষা পটেল!

‘গদর: এক প্রেম কথা’ শুধু অমীষা পটেলের কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছবি নয়, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসেও এটি একটি স্মরণীয় অধ্যায়। ছবিটি মুক্তির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সেই সময়ের নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছেন অভিনেত্রী। বিশেষ করে বর্ষীয়ান অভিনেতা অমরীশ পুরীর সঙ্গে প্রথম দৃশ্যের শুটিংয়ের স্মৃতি আজও তাঁর মনে গেঁথে রয়েছে।

অমীষা জানিয়েছেন, ‘গদর’-এর সেটে প্রথম দিনেই তাঁকে এমন একজন কিংবদন্তি অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করতে হয়েছিল, যাঁর সামনে দাঁড়িয়ে প্রবল নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা এতটাই তীব্র ছিল যে তাঁর সারা শরীর কাঁপছিল।

এক সাক্ষাৎকারে অমীষা বলেন, “অমরীশজির কথা খুব মনে পড়ে। তাঁকে দেখে ভয় পেয়েছিলাম, এমন নয়। তিনি অসাধারণ একজন মানুষ এবং দুর্দান্ত সহ-অভিনেতা ছিলেন। তাঁর রসবোধও ছিল অসাধারণ। তিনি খুব মজার মানুষ ছিলেন।”

তবে প্রশ্ন উঠেছিল, তা হলে কেন এমন ভয় পেয়েছিলেন অমীষা? এর উত্তর দিতে গিয়ে তিনি জানান, আসলে কারণ ছিল তাঁর নিজের অস্বস্তি এবং নতুন অভিনেত্রী হিসেবে চাপ।

‘গদর’ ছিল অমীষার দ্বিতীয় ছবি। আর ছবির প্রথম দৃশ্যই ছিল অমরীশ পুরীর সঙ্গে। ছবিতে অমরীশ অভিনয় করেছিলেন তাঁর বাবার চরিত্রে। এত বড় একজন অভিনেতার সামনে প্রথম দিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

অমীষার কথায়, “আমার প্রথম দৃশ্যই ছিল অমরীশজির সঙ্গে। আমি ভয়ে থরথর করে কাঁপছিলাম। আমার সারা শরীর কাঁপছিল। কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। তিনি আমার কাজকে খুব সহজ করে দিয়েছিলেন।”

বর্ষীয়ান অভিনেতা হিসেবে অমরীশ পুরী কখনও তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেননি বলেও জানিয়েছেন অমীষা। বরং নতুন শিল্পী হিসেবে তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। অমীষার মতে, অমরীশ পুরী কখনও তাঁকে বুঝতেই দেননি যে তিনি কত বড় মাপের অভিনেতা এবং তিনি নিজে একজন নতুন মুখ।

এর আগে ‘গদর’ নিয়ে আরও নানা স্মৃতি ভাগ করেছিলেন অমীষা। তিনি জানিয়েছিলেন, ছবিতে সানি দেওলের বিপরীতে অভিনয় করার আগে তাঁকে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছিলেন। কারণ সানি দেওল তাঁর থেকে বয়সে বড় ছিলেন।

তবে অমীষার মতে, পর্দায় বয়সের পার্থক্য কোনও সমস্যা নয়, যদি গল্পের মধ্যে তার যথাযথ ব্যাখ্যা থাকে। ‘গদর’-এর ক্ষেত্রে সেই সম্পর্ক এবং বয়সের ব্যবধান গল্পের প্রয়োজনেই ছিল বলে মনে করেন তিনি।

আজও ‘গদর’ দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। ছবির সাফল্যের পাশাপাশি অমীষার কাছে এই সিনেমা বিশেষ হয়ে রয়েছে অমরীশ পুরীর মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করার স্মৃতির জন্যও।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *