প্রথম ছবি মুক্তির আনন্দ, পুজোয় বাড়ি ফিরে লুচি-সুজির আবদার দিব্যাণীর

পুজোয় বাড়ি ফিরে লুচি-সুজির আবদার দিব্যাণীর! দুর্গাপুজো মানেই ঠাকুর দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। তবে এ বছর অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডলের পুজো একটু অন্য রকম। বড়পর্দায় মুক্তি…

October 15, 2026
1 min read

পুজোয় বাড়ি ফিরে লুচি-সুজির আবদার দিব্যাণীর!

দুর্গাপুজো মানেই ঠাকুর দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। তবে এ বছর অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডলের পুজো একটু অন্য রকম। বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর প্রথম ছবি ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। তাই পুজোর আনন্দের সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন কাজের উত্তেজনাও। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবির অংশ হতে পেরে খুশি দিব্যাণী।

দুর্গাপুজো বরাবরই তাঁর প্রিয় উৎসব। ঠাকুর দেখতে এবং উৎসবের আনন্দে মেতে থাকতে ভালবাসেন তিনি। ছবির প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেই ইতিমধ্যে কলকাতার কয়েকটি পুজোমণ্ডপ ঘুরে দেখেছেন। তবে উৎসবের বাকি সময়টা কাটাতে চান নিজের শহর মুর্শিদাবাদে, পরিবারের সঙ্গে।

অষ্টমীর লুচি-সুজি নিয়ে ছোটবেলার স্মৃতি

মুর্শিদাবাদে দিব্যাণীর বাড়ির কাছেই একটি মন্দির রয়েছে, যেখানে ডাকের সাজে দুর্গাপ্রতিমা তৈরি হয়। সেখানে অষ্টমীতে কুমারীপুজোর আয়োজন করা হত। ছোটবেলায় নিজে কখনও কুমারীপুজোর অংশ না হলেও ওই পুজোর বিশেষ লুচি-সুজি খাওয়ার প্রতি তাঁর ছিল প্রবল আগ্রহ।

সেই স্মৃতি এখনও অমলিন। তাই এ বার অষ্টমীতে প্রিয় খাবার থেকে যাতে বঞ্চিত না হন, সে জন্য মায়ের কাছে আবদারও করে রেখেছেন। মাকে বলেছেন, তাঁর জন্য যেন বাড়িতে লুচি-সুজি বানানো হয়।

পুজোয় ডায়েট নয়, জমিয়ে খাওয়াদাওয়া

দিব্যাণী নিরামিষাশী হলেও খেতে ভালবাসেন। বিশেষ প্রদর্শনী শেষ হলেই খাওয়াদাওয়ায় মন দিতে চান তিনি। কলকাতায় থাকাকালীন রেস্তরাঁয় খেতে পছন্দ করেন। রাস্তার খাবারের মধ্যে তাঁর পছন্দ পনির রোল। ফুচকা আর আইসক্রিমও তাঁর পুজোর খাওয়াদাওয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

কলকাতার কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে উৎসব কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। প্রতি বছরই অষ্টমীতে মুর্শিদাবাদে ফিরে যান। সেখানে বাবা-মা ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, বাড়ির রান্না আর নিশ্চিন্তে বিশ্রাম—সব মিলিয়ে অন্য রকম আনন্দ খুঁজে পান।

সারা রাত ঠাকুর দেখা থেকে পরিবারের সঙ্গে সময়

স্কুলজীবনের পুজোর স্মৃতিও এখনও মনে পড়ে দিব্যাণীর। খ্রিস্টান স্কুলে পড়ার সময়ে পুজোর ছুটি শুরুর আগের দিন হত ‘চিপস পার্টি’। ছুটি পড়লেই বাবা-মায়ের হাত ধরে ভাইয়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়তেন। সারা রাত জেগে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরার সেই দিনগুলিতে ক্লান্তির চেয়ে আনন্দই ছিল বেশি।

এখন অবশ্য বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নেওয়াই বেশি পছন্দ তাঁর। তবু সুযোগ পেলেই বাড়ির আশপাশের মণ্ডপে ঘুরে আসেন। এ বারের পুজোয় ঠাকুর দেখার পাশাপাশি বন্ধুদের নিজের প্রথম ছবি দেখাতে চান দিব্যাণী। বাবা-মাকেও এক দিন নিয়ে যাবেন প্রেক্ষাগৃহে।

নতুন ছবির মুক্তি, শাড়ি কেনা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর ছোটবেলার প্রিয় খাবার—সব মিলিয়ে এ বার দিব্যাণীর দুর্গাপুজো সত্যিই একটু বেশি রঙিন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *