লাদাখে চিনা সেনাকে টেক্কা!
লাদাখের হিমশীতল উপত্যকায় চিনা সেনার (PLA) বিরুদ্ধে শক্তি বাড়াতে ভারতীয় সেনার হাতে আসছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হালকা যুদ্ধ ট্যাঙ্ক ‘জোরাবর’। ইতিমধ্যেই হয়েছে একাধিক সফল পরীক্ষা। এবার এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ১০৫ এমএম কামান সংযোজনের দায়িত্ব পেয়েছে বেলজিয়ামের বিখ্যাত সংস্থা জন ককেরিল ডিফেন্স।
🔹 লাদাখে হালকা ট্যাঙ্কের প্রয়োজন কেন?
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ফৌজের হামলায় ২০ জন ভারতীয় সেনার শহীদ হওয়ার পর থেকেই প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর কাজ জোরদার হয়।
👉 লাদাখের মতো উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে ভারী ট্যাঙ্কের কার্যকারিতা সীমিত। ভারতের অর্জুন, রুশ টি-৯০ (ভীষ্ম) বা টি-৭২ (অজেয়) ওজনে ভারী হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে সহজে চলতে পারে না।
👉 বিপরীতে, চিনের হালকা ট্যাঙ্ক ZTQ-15 সহজেই চলাফেরা করতে পারে লাদাখের ভূখণ্ডে।
👉 ফলে, ভারতীয় সেনাকে বাধ্য হয়ে পুরনো রুশ BMP-2 সাঁজোয়া যান ব্যবহার করতে হয়েছিল।
👉 চিনা সেনার আধুনিক প্রযুক্তির বিরুদ্ধে এগুলো খুব একটা কার্যকর ছিল না।
🔹 ‘আত্মনির্ভর ভারত’ মিশনের অধীনে তৈরি হচ্ছে ‘জোরাবর’
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রথমে বিদেশ থেকে হালকা ট্যাঙ্ক আমদানির কথা ভাবলেও প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অধীনে দেশীয়ভাবে এটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
✔ প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা DRDO-এর নেতৃত্বে L&T (Larsen & Toubro) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
✔ লাদাখের শীতল মরুভূমিতে কঠোর পরীক্ষার পর সফল হয়েছে ‘জোরাবর’।
✔ এছাড়াও, গুজরাটের হাজিরায় L&T হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সহযোগিতায় ট্র্যাক ট্রায়ালও সম্পন্ন হয়েছে।
🔹 কেন গুরুত্বপূর্ণ বেলজিয়ামের সহায়তা?
যে কোনো আধুনিক ট্যাঙ্কের মূল শক্তি হলো এর কামান।
👉 জোরাবরের জন্য ১০৫ এমএম রাইফেলিং গান ও ৩৬০ ডিগ্রি ঘূর্ণনক্ষম টারেট সংযোজন করছে বেলজিয়ামের জন ককেরিল ডিফেন্স।
👉 এই সংস্থা বিশ্বখ্যাত, অনেক উন্নত দেশের সেনাও তাদের তৈরি কামান ব্যবহার করে।
👉 ভারতেই যৌথ উদ্যোগে এই কামান তৈরি হবে, যা ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।
🔹 ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি কতটা বাড়বে?
💪 ‘জোরাবর’ হালকা হলেও অত্যন্ত শক্তিশালী, দ্রুতগামী ও পাহাড়ি অঞ্চলে যুদ্ধের উপযোগী।
💪 এটি চিনের ZTQ-15 ট্যাঙ্কের চেয়ে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বলে মনে করা হচ্ছে।
💪 দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি সম্ভব।
🇮🇳 ভারতের প্রতিরক্ষা আরও মজবুত!
লাদাখ সীমান্তে চিনের আগ্রাসন মোকাবিলায় ‘জোরাবর’ হতে পারে ভারতের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। এর সফল বাস্তবায়ন দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং সেনার শক্তি বহুগুণ বাড়াবে।
🔥 এবার কি চিনের মোকাবিলায় ভারত আরও প্রস্তুত? সময়ই বলবে!
ইউক্রেনকে আর সামরিক সাহায্য নয়! ট্রাম্পের কড়া বার্তা, চাপে জেলেনস্কি