রেশন দুর্নীতির টাকায় দুবাইয়ে সম্পত্তি বাকিবুরের, দাবি ইডি

রেশন দুর্নীতির দাবি ইডি রেশন বণ্টন দুর্নীতির ঘটনাটি নিয়ে আবারও চাঞ্চল্যকর দাবি উঠল। ভারতের ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) সম্প্রতি আদালতে দাবি করেছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতির কালো টাকা দুবাইয়ে পাচার হয়ে গেছে…

November 22, 2024
0 min read

রেশন দুর্নীতির দাবি ইডি

রেশন বণ্টন দুর্নীতির ঘটনাটি নিয়ে আবারও চাঞ্চল্যকর দাবি উঠল। ভারতের ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) সম্প্রতি আদালতে দাবি করেছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতির কালো টাকা দুবাইয়ে পাচার হয়ে গেছে এবং ওই টাকা দিয়ে দুবাইয়ে সম্পত্তি কেনা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এসব সম্পত্তি দুবাইয়ে বিভিন্ন ব্যবসা এবং হাওয়ালা মারফত কেনা হয়েছে।

এদিকে, বিশেষ সিবিআই আদালতে রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বাকিবুর রহমান বিদেশে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। আদালতে ইডি জানায়, বাকিবুরের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে এবং বিদেশে গিয়ে তিনি প্রমাণাদি নষ্ট করতে পারেন। এর ফলে, ইডি তার বিদেশযাত্রায় আপত্তি জানায়। ইডি দাবি করেছে, বাকিবুরের দুবাইয়ে সম্পত্তি রয়েছে, যা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকায় কেনা হয়েছে।

বাকিবুরের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, তার ‘রেসিডেন্সিয়াল’ ভিসা রয়েছে, যা নবীকরণের জন্য তাকে বিদেশে যেতে হবে। যদি তিনি বিদেশ না যান, তবে তার ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। এছাড়া, তার দুবাইয়ে দুইটি সম্পত্তি রয়েছে, যার দলিল দুবাই সরকারের কাছে পেশ করতে হবে।

এই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, রেশন বণ্টন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি আরও তথ্য সংগ্রহ করতে চাচ্ছে, যাতে কালো টাকার উৎস এবং এর পাচারের চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে। ইডি আরও দাবি করেছে যে, রেশন দুর্নীতির কালো টাকার মাধ্যমে ব্যবসা এবং সম্পত্তি কেনার কাজ হাওয়ালা মাধ্যমে হয়ে থাকে এবং ওই টাকা বাংলাদেশ থেকেও পাঠানো হয়েছিল।

এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ইডি আইনজীবীরা আদালতে আরও বলেছেন, বাকিবুর এবং তার সহযোগীরা বেশ প্রভাবশালী, এবং তার বিদেশে চলে গেলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতির আরও এক অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসও বিদেশে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন, যা বিশেষ আদালতের বিচারক মঞ্জুর করেছিলেন। অন্যদিকে, জেল হেফাজতে থাকা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও অসুস্থতার কারণে জামিনের আবেদন করেছেন, তবে ইডি তার জামিনের বিরোধিতা করেনি।

এই ঘটনাটি শুধু রেশন দুর্নীতিরই প্রমাণ নয়, বরং এটি আরও বড় দুর্নীতি এবং কালো টাকার পাচারের চক্রের ইঙ্গিত দেয়, যার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও জনসাধারণের ক্ষতি হচ্ছে।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *