রাতে বুক জ্বালা, মুখে টক স্বাদ? ঘুমের ভঙ্গি বদলেই কমতে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের অস্বস্তি

রাতে বুক জ্বালা, মুখে টক স্বাদ? রাতে ঘুমোতে যাওয়ার পর বুক জ্বালা, মুখে টক স্বাদ কিংবা পেট ভার লাগার সমস্যা অনেকেরই হয়। ঝাল-মশলাদার বা অতিরিক্ত খাবার এর অন্যতম কারণ হলেও,…

August 19, 2026
1 min read

রাতে বুক জ্বালা, মুখে টক স্বাদ?

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার পর বুক জ্বালা, মুখে টক স্বাদ কিংবা পেট ভার লাগার সমস্যা অনেকেরই হয়। ঝাল-মশলাদার বা অতিরিক্ত খাবার এর অন্যতম কারণ হলেও, কী ভাবে ঘুমোচ্ছেন সেটিও অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গ বাড়াতে পারে।

পাকস্থলীর অ্যাসিড যখন খাদ্যনালিতে উঠে আসে, তখন বুক জ্বালা, টক ঢেঁকুর বা মুখে টক স্বাদের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। শোয়ার ভঙ্গি ঠিক না হলে রাতে এই অ্যাসিড উপরে উঠে আসার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

অ্যাসিডিটির জন্য কোন দিকে ফিরে ঘুমোনো ভাল?

বেঙ্গালুরুর চিকিৎসক লরেন্স পিটারের মতে, অ্যাসিড রিফ্লাক্সে বাঁ দিকে কাত হয়ে শোয়া তুলনামূলক ভাবে উপকারী হতে পারে। এতে পাকস্থলীর অবস্থানের কারণে অ্যাসিড খাদ্যনালির দিকে উঠে আসার প্রবণতা কমতে পারে।

তবে শুধু পাশ ফিরে শোয়া নয়, মাথার অংশ বিছানা থেকে প্রায় ৬-৮ ইঞ্চি উঁচুতে রাখাও সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের রাতে নিয়মিত রিফ্লাক্সের সমস্যা হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে শরীরের উপরের অংশ কিছুটা উঁচু করে শোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কোন ভঙ্গিতে সমস্যা বাড়তে পারে?

রাতে ভারী বা তেল-মশলাদার খাবার খাওয়ার পর চিৎ হয়ে শোয়া বা ডান দিকে কাত হয়ে শোয়া কিছু মানুষের অ্যাসিড রিফ্লাক্স বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই খাবারের পর সঙ্গে সঙ্গে বিছানায় না যাওয়াই ভাল।

রাতে অ্যাসিডিটি কমাতে কী করবেন?

  • ঘুমোনোর ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।
  • রাতে অতিরিক্ত ভারী বা ঝাল-মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • অতিরিক্ত ক্যাফিন ও অ্যালকোহল কমান।
  • ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
  • নিয়মিত মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
  • খাবারের পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে না পড়ে কিছুটা সময় অপেক্ষা করুন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?

অ্যাসিডিটির সমস্যা বার বার হলে শুধু ঘুমের ভঙ্গি বদলে নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে খাবার গিলতে সমস্যা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া বা তীব্র/অস্বাভাবিক ব্যথা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

মনে রাখবেন: রাতের বুক জ্বালা সব সময় সাধারণ অ্যাসিডিটি নাও হতে পারে। উপসর্গ তীব্র, নতুন বা বার বার হলে কারণটা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *