রক্তচাপ নেমে ৪০-এ!!
‘কাঁটা লগা’ খ্যাত শেফালী জরীওয়ালার অকালমৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক প্রাক্তন ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী তুলে ধরলেন আতঙ্কের অভিজ্ঞতা। দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রুতিকা অর্জুন সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনিও এক সময় এমন এক ভয়াবহ শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা তাঁকে মৃত্যুর কিনারায় এনে ফেলেছিল। আরও চমকে দেওয়ার মতো তথ্য—এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার ঠিক পরেই।
শ্রুতিকার বক্তব্যে উঠে এসেছে এক গভীর আতঙ্ক। তিনি বলেন, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়ে যে যন্ত্রণা অনুভব করেছিলেন, এই অসুস্থতা ছিল তার থেকেও কঠিন। পডকাস্টে পারস ছাবড়ার মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “আমি একটিই মাত্র ডোজ নিয়েছিলাম। জানি না, সেটা থেকেই কি না, কিন্তু শরীর যেন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল, আমার স্বামী প্রতি মুহূর্তে পরীক্ষা করছিলেন আমি বেঁচে আছি কি না।”
পরের দিন সকালে একটু সুস্থ বোধ করলেও যখন তিনি বিছানা থেকে উঠতে যান, তখনই ঘটে বিপর্যয়। মাথা ঘুরে পড়ে যান, আর তখনই জানা যায় তাঁর রক্তচাপ নেমে এসেছে ৪০-এর কাছাকাছি—যা প্রাণসংকটের লক্ষণ। “আমি পড়ে যাই, চারপাশে শুধু কেঁদে ওঠা মানুষের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। কেউ যেন আমাকে ডেকে তুলছে বার বার। আমি শুধু শিবনাম জপ করছিলাম মনে মনে,” বলেন শ্রুতিকা।
শরীরে শুরু হয় হৃদ্রোগের একের পর এক উপসর্গ। শ্রুতিকার কথায়, “আমি বলছিলাম আমার চোয়াল ভারী লাগছে, বাঁ হাতটা তুলতে পারছি না। এগুলো তো স্পষ্ট হৃদ্রোগের সংকেত! আমি ডান হাত নাড়িয়ে যাচ্ছিলাম, যাতে পক্ষাঘাত না হয়।” অসুস্থতার সময় তাঁর পাশে ছায়ার মতো ছিলেন স্বামী অর্জুন। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাঁর শরীর দুর্বল ছিল।
এই অভিজ্ঞতা যেন ভয়ঙ্করভাবে মিল খুঁজে পাচ্ছে শেফালীর মৃত্যুর সঙ্গে। শেফালীর মৃত্যুর কারণ হিসেবে সামনে এসেছে হৃদ্রোগ এবং রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি। এছাড়া বয়স রোধের কিছু ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের দিকেও সন্দেহের আঙুল উঠেছে।
এই সব ঘটনা একটাই প্রশ্ন তুলছে—কোভিড প্রতিষেধক নেওয়ার পরবর্তী জটিলতা কি আদৌ গুরুত্ব পাচ্ছে যথাযথভাবে? অথবা শরীরের প্রতিক্রিয়া কীভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত, তা কি যথেষ্ট স্পষ্ট? এইসব প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে বর্তমানে ভক্ত ও চিকিৎসামহলের মধ্যে।
বৃষ্টির দিনে ঘন ঘন লোডশেডিং? খাবার নষ্ট হওয়ার আগে অবলম্বন করুন এই সহজ কৌশলগুলি