“যুদ্ধ না করে থামিয়েছিলেন মুনির!” ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ফের বিস্ফোরক ট্রাম্প

ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ফের বিস্ফোরক ট্রাম্প! ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হওয়া নিয়ে আবারও বিস্ময়কর দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের…

June 19, 2025
1 min read

ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ফের বিস্ফোরক ট্রাম্প!

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হওয়া নিয়ে আবারও বিস্ময়কর দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রকাশ্যে এল তাঁর মন্তব্য। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের কথায় স্পষ্ট, তিনি পাক সেনাপ্রধানকে ‘সম্মান জানাতে’ নিজেই উদ্যোগ নিয়ে এই সাক্ষাৎকারের আয়োজন করেছিলেন।

“আমি এখানে এসেছি মুনিরকে ধন্যবাদ দিতে”
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, “আজ আমি এখানে এসেছি শুধুমাত্র মুনির সাহেবকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য। কারণ, তিনি যুদ্ধের পথ থেকে পিছিয়ে এসে শান্তির ডাক দিয়েছিলেন। সেটাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।” ট্রাম্পের মতে, ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশ পরমাণু শক্তিধর হওয়ায় কোনও সামান্য উত্তেজনাও ভয়াবহ রূপ নিতে পারত।

তিনি আরও বলেন, “যে দুটি দেশ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি, তাদের নেতৃত্ব যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে অনেক প্রাণ বাঁচে। এই বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমি মোদী ও শাহবাজ় শরিফ—দু’জনকেই কৃতজ্ঞতা জানাই।”

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ, ভিন্ন সুর ভারতীয় শিবিরে
যদিও এই প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান একেবারেই আলাদা। বুধবার ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী জানান, মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে ৩৫ মিনিটের ফোনালাপে এই বিষয়টি উঠলেও, মোদী স্পষ্ট করে দেন—ভারত কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা মেনে নেবে না। পাকিস্তানের অনুরোধেই অতীতে কিছু সীমান্ত বৈঠক হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক আলোচনার ফল নয়, একান্তই কূটনৈতিক সৌজন্য।

নিজেকে ‘শান্তিদূত’ প্রমাণে মরিয়া ট্রাম্প
তবে ট্রাম্প একেবারেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। বরং বলেছেন, “এই যুদ্ধ আমি থামিয়েছি। আমিই চেষ্টা করেছি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরির।” যদিও এমন মন্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দ্বিধা রয়েছে। কারণ অতীতেও ট্রাম্প একাধিক বার ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে ‘মধ্যস্থতার প্রস্তাব’ দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন।

কেন এই সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সাক্ষাৎ এবং বক্তব্য শুধুই সৌজন্য নয়। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যে নতুন ছক কষা হচ্ছে, তারই অঙ্গ এই কূটনৈতিক আলাপচারিতা।

মুনিরের ভূমিকা কি আদৌ এতটা গুরুত্বপূর্ণ?
অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ট্রাম্প যেভাবে মুনিরকে প্রশংসায় ভাসালেন, তাতে কি পাক সেনার আসল কূটনৈতিক ক্ষমতা সামনে এল? একাধিক রিপোর্ট বলছে, সীমান্ত উত্তেজনা থামাতে পাকিস্তানের সেনা সদর দফতর থেকেই বার্তা দেওয়া হয়েছিল, যা সরকারের থেকেও বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল।

এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক বেশ ঠান্ডা। কিন্তু ট্রাম্পের মন্তব্যে আবারও রাজনৈতিক তাপমাত্রা খানিকটা বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জৌলুস ছেড়ে যোগপথে জ্যাকলিন! রবি শঙ্করের আশ্রমে আধ্যাত্মিক শরণ

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *