ম্যাক্সওয়েল ও এপস্টাইনের নির্যাতন পদ্ধতি!
একজন survivor সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জেফরি এপস্টাইন ও গিস্লেইন ম্যাক্সওয়েলের যৌথ নির্যাতন-প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন। তিনি বর্ণনা করেছেন কিভাবে ম্যাক্সওয়েল প্রথমে আত্মবিশ্বাস ও সুযোগ দেখিয়ে তরুণ মেয়েদের আকৃষ্ট করতেন, পরে ধাপে ধাপে তাদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও নির্যাতনের পথ তৈরি করত ।
প্রথমত, ম্যাক্সওয়েল একজন model scout বা সুযোগ প্রদর্শনকারী হিসেবে পরিচিত হতে শুরু করতেন। তিনি মেয়েদের প্রতিশ্রুতি দিতেন ক্যারিয়ার, অর্থ বা শিক্ষা সংক্রান্ত সুবিধার—এভাবে গরুমিং শুরু করতেন । পরে এপস্টাইনের প্রাইভেট পদে যেমন পুট্ট ছিল মর্যাদার প্রতীক, তেমনি প্রথমে ম্যাসাজ দেওয়া হত—সাধারণত ফুট ম্যাসাজ—তারপর ধীরে ধীরে এটি যৌন নির্যাতনের পর্যায়ে পৌঁছত।
একাধিক Survivor বলেছেন, ম্যাক্সওয়েল নির্ধারিত মেয়েদের শরীর “মূল্যায়ন” করতেন—বয়স ১৩–১৪ বছর হওয়ার আগেই—এবং তার পরেই এদেরকে এপস্টাইনের জন্য উপস্থাপন করা হতো। এক সাক্ষী বর্ণনা করেন, “ম্যাক্সওয়েল আমাকে এক ঘরে নিয়ে এসে আমার স্তন ও করি পরীক্ষা করে বলেছিলেন এপস্টাইনের জন্য উপযুক্ত শরীর” । এর পরেই এপস্টাইন নির্যাতন শুরু করতেন।
এই সমস্ত পরিকল্পনা ছিল একটি সুসংগঠিত ‘pyramid of abuse’—প্রাথমিকভাবে আকর্ষণ, তারপর “গরুমিং”, ও শেষে একাধিক নির্যাতনের শৃঙ্খলা। Survivorরা অনুভব করেছেন যে এভাবে তৈরি ভয়, নির্ভরতা ও মানসিক বন্ধনই ছিল মানসিক-শারীরিক বন্দনাগত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার।
এক Survivor জানিয়েছেন, তারা প্রয়োজনবশত ভয় ও মানসিক চাপে ভুগতেন—কিছু ক্ষেত্রে এপস্টাইন হুমকি দিতেন যে তারা পুলিশ বা পরিবারের কাছে কোনো কথা বললে তাদের প্রিয়জনদের ক্ষতি হতে পারে। এমন নিয়ন্ত্রণই ভুক্তভোগীদের স্থবির করে রাখত, ফলে তারা নিজেকেই স্বাভাবিক মনে করত।
২০২১ সালে গিস্লেইন ম্যাক্সওয়েলকে পাঁচটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বর ছিল একটি নির্যাতনের অপরাধ—এই সিদ্ধান্ত Survivorদের জন্য এক ধরনের ‘justice’ ছিল। এক ভুক্তভোগী জানাই: “আমি এতটাই স্বস্তি ও কৃতজ্ঞ, এই রায় অন্য Survivorদেরও শান্তির বার্তা দেবে” ।
তবে ম্যাক্সওয়েল এখন নতুন প্রমাণাদি ও আপীল প্রক্রিয়া গুরুত্ব সহকারে চালাচ্ছেন—যা ২০২১ সালের মামলার পুনর্মূল্যায়নের অংশ হতে পারে। তার বর্তমান দাবিটি হলো, এই প্রমাণাদি সম্পূর্ণ যাচাইযোগ্য হওয়া উচিত, যা আদালতে উপস্থাপন করা প্রয়োজন—Survivorদের আইনজীবীরা সাবধান করে জানিয়েছেন যে ম্যাক্সওয়েলের কোনও বক্তব্য থাকুক, তা যাচাই ছাড়া গৃহীত হওয়া যাবে না।
এজেসি বসু রোডের উড়ালপুলের নীচে দিনদুপুরে এক লক্ষ টাকা ছিনতাই! আতঙ্কে ব্যবসায়ী মহল